এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়ায় উল্কার গতিতে উত্থান হচ্ছে পদ্ম শিবিরের,চিন্তার ছাপ শাসক-শিবিরে

নদীয়ায় উল্কার গতিতে উত্থান হচ্ছে পদ্ম শিবিরের,চিন্তার ছাপ শাসক-শিবিরে

শুধু জঙ্গলমহলের জেলাগুলিই নয়,রাজ্যের সব পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় না আসতে পারলেও যেভাবে নিজেদের শক্তিবৃদ্ধি করছে বিজেপি,তাতে সত্যিই বড় চিন্তায় শাসক তৃনমূল।সূত্রে খবর,মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নকে টেক্কা দিয়ে নদিয়ার নাকাশিপাড়া,কৃষ্নগঞ্জ,তেহট্ট,রানাঘাট উত্তর পূর্বের মত এ জেলার এইরকম অনেক বিধানসভা এলাকার পঞ্চায়েতে প্রথম স্থানে উঠে এসেছে বিজেপি।রাজনৈতিক মহলের মতে,বিজেপির মত শুধুমাত্র সংগঠনের ওপর ভিত্তি চরে টলা দলের কাছে তৃনমূলের এই হার প্রমান করছে এই এলাকায় শাসকদলের সংগঠনে বিস্তর ত্রুটি রয়েছে।তৃনমূল সূত্রে খবর,একথা একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও।

গত শনিবার নদীয়ার কল্যানীতে পঞ্চায়েতের এরুপ ফলাফলের কারন খুজতে জেলার সমস্ত সাংসদ,বিধায়ক ও ব্লক সভাপতিদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন পার্থবাবু।আশ্চর্য্যজনকভাবে নদীয়ায় বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক বাড়ায় দলীয় নেতাদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।এমনকী এলাকায় জনসংযোগ ঠিকমত না থাকৃর কারনেই যে এই ফল তৃও বুঝতে সময় লাগেনি তৃনমূল মহাসচিবের।বৈঠক শেষে তিনি বলেন,”সিপিএম কংগ্রেসের ভোট তৃনমূলে না এসে কেন বিজেপিতে যাচ্ছে,তা নিয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে বলেছি।”নিজেদের মধ্যে গন্ডগোলও বন্ধ করে দলের জন্য সকলকে একযোগে কাজ করারও নির্দেশ দেন তিনি।

রাজনৈতিক অঙ্ক অনুযায়ী,নদীয়ার জেলা পরিষদ তৃনমূল নিজেদের দখলে রাখলেও 3209 টি গ্রাম পঞ্চায়েতে র মধ্যে বিজেপি একাই পেয়েছে 647 টি আসন।541 টি পঞ্চায়েত সমিতির মধ্যে বিজেপির দখলে 64 টি আসন। এখানেই তৃনমূলের বক্তব্য,26 লক্ষ ভোট পড়েছে এবা নদীয়ায়।যেখানে শাসকদলের ঝুলিতে 14 লক্ষ ভোট পড়লেও বিজেপির প্রাপ্ত ভোট প্রায় সাত লক্ষের কাছাকাছি।যা শুনে রীতিমত অস্বস্তি প্রকাশ করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

দলীয় সূত্রে খবর,নাকাশিপাড়ার বিধায়ক কল্লোল খাঁ ভোটের প্রাকমুহুর্তে কোলকাতায় থাকায় বেজায় চটেছেন পার্থ।এমনকী জেলার বিধায়ক রত্না ঘোষ, বিধায়ক অবনীমোহন জোয়ারদার,ও সত্যজিৎ বিশ্বাসের কাজেও  দল যে ক্ষুদ্ধ তাও এদিন স্পষ্ট করেন তৃনমূলের মহাসচিব।

তৃনমূল সূত্রে আরও খবর,বারবার বলা সত্তেও শান্তিপুরে পুরনো বিজয়ী প্রার্থীদের টিকিট না দেওয়ায় শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য কে ধমক দেন তিনি।এমনকী ভোটের দিন শান্তিপুরের খুনের ঘটনায় দল যে অস্বস্তিতে তা নিয়ে অরিন্দমকে সতর্ক করেন পার্থ।শান্তিপুর পুরসভার কাজেও যাতে অরিন্দম হস্তক্ষেপ না করে তাও বোঝান তিনি।সব মিলিয়ে দলের নেতাদের কিছুটা অনুশাসনে বেধে ভবিষ্যতে এরুপ ফলাফল যাতে এড়ানো যায় তার ব্যাবস্থা গ্রহনেরও নির্দেশ দেন জেলার নেতৃত্বকে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!