এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আদি-নব্য লড়াইকে গঙ্গায় ভাসিয়ে এক ছাতার তলায় সবপক্ষকে আনার প্রক্রিয়া শুরু করে দিলেন নাড্ডা

আদি-নব্য লড়াইকে গঙ্গায় ভাসিয়ে এক ছাতার তলায় সবপক্ষকে আনার প্রক্রিয়া শুরু করে দিলেন নাড্ডা

লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপি যখন বাংলায় অনেকটা সাফল্য পেয়েছে, ঠিক তখনই পুরনো বনাম নব্য বিজেপি কর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের অনেক হেভিওয়েট নেতারা পদ্ম শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। যার ফলে সেই সমস্ত জায়গায় পুরনো বিজেপি কর্মীরা অভিযোগ করেছেন যে, দুদিন হল যে সমস্ত তৃণমূলের নেতারা দলে যোগ দিচ্ছেন, তাদেরকেই দল বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেক্ষেত্রে পুরোনোদের সম্মানহানির ঘটনা ঘটছে।

তবে বরাবরই দলকে শক্তিশালী করতে গেলে নতুন এবং পুরনো সকলকে নিয়ে একসাথে কাজ করতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতারা। তবে রাজ্য নেতাদের সেই কথা ঠিকমত কানে নেয়নি অনেক জেলারই বিজেপির নেতা কর্মীরা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে, যে তৃণমূলকে প্রায়শই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্য বিদ্ধ করত বিজেপি, সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তাদের দলের মধ্যেও লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। কিন্তু এবার সেই দ্বন্দ্বকে রোধ করতে রাজ্যে এসে সকলকে এক হয়ে চলার বার্তা দিলেন সর্বভারতীয় বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে রাজারহাটের একটি হোটেলে রাজ্য নেতৃত্বদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিজেপির কার্যকরী সভাপতি। যেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেনন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, মুকুল রায়, সুব্রত চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা। আর সেখানেই কেউ যাতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব জড়িয়ে না পরেন, তার জন্য রাজ্য নেতাদের উদ্দেশ্যে জেপি নাড্ডা বলেন, “লক্ষ্য বড় করতে হবে। বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় আসতে চলেছে। আর তার জন্য যা করণীয় তাই করতে হবে।”

একই সঙ্গে জেপি নাড্ডা জানিয়ে দেন, “নেতৃত্ব দিতে গেলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে। না হলে বাংলা দখল করা সম্ভব হবে না।” রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপির সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতির এদিনের বক্তব্যের সঙ্গে বঙ্গ বিজেপির চাণক্য মুকুল রায়ের বক্তব্য কিছু মিল পাওয়া যায়। কেননা প্রাক্তন তৃণমূল নেতা তথা বর্তমান বিজেপি নেতা মুকুল রায় বিজেপিতে ঢোকার পরই তার হাত ধরে তৃণমূলের অনেক নেতা-কর্মী বিজেপিতে প্রবেশ করেছিলেন। যার ফলে বঙ্গ বিজেপি কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল।

বিজেপির অনেক পুরাতন কর্মীরা অভিযোগ করেছিলেন যে, মুকুলবাবু বেনোজল ঢোকাচ্ছেন। কিন্তু তখন মুকুল রায় বলেছিলেন, “কর্মী তো আর আকাশ থেকে পড়বে না। তাই অন্য দল থেকেই কর্মী আনতে হবে। আর রাজ্যে এখন তৃণমূলকে সরানোই প্রধান লক্ষ্য। তাই সেক্ষেত্রে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না করে সেই লক্ষ্য স্থির রাখা উচিত।” ফলে নতুন পুরনো সবাইকে নিয়ে একসাথে চলার নির্দেশ দিয়ে সেই বঙ্গ বিজেপির চাণক্য মুকুল রায়ের কথাতেই কার্যত সীলমোহর দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!