এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > জল্পনা বাড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যদপ্তরে গণবদলির আর্জি নিয়ে রীতিমতো শোরগোল নবান্নে

জল্পনা বাড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যদপ্তরে গণবদলির আর্জি নিয়ে রীতিমতো শোরগোল নবান্নে

সম্প্রতি স্বাস্থ্যদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাইজ-পোস্টিং-এর দপ্তরের মতো প্রথম সারির দপ্তর থেকে গণবদলির আর্জি আসায় হুলুস্থুল কান্ড বেঁধে গেছে নবান্নে। বদলি চেয়েছেন একাধিক জনস্বার্থে নিয়োজিত স্বাস্থ্য দপ্তরের পাঁচজন গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক। এঁদের মধ্যে দুজন ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশন-এর শীর্ষ কর্তা এবং একজন সদ্য প্রাক্তন পদস্থ কর্তা। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী স্বপ্নের সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল, নতুন পাঁচটি মেডিক্যাল কলেজ, নার্সিং কলেজ, ন্যায্য মূল্যের রোগপরীক্ষাকেন্দ্র, বিনা পয়সা ওষুধ ও যন্ত্রপাতি পরিষেবা প্রভৃতি জনগনের স্বার্থমুখী পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কান্ডারীও ।

এর মধ্যে আছেন এই শাখার শীর্ষকর্তা তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও দপ্তরের ওষুধ, যন্ত্রপাতি ও পরিবহণ শাখার সচিব আইএএস অফিসার দেবাশিস বসু, সেখানকারই জেনারেল ম্যানেজার তথা যুগ্ম সচিব পর্যায়ের আধিকারিক অতুনকুমার রায়, সেখানকার প্রাক্তন কর্তা তথা বর্তমানে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের প্রোগ্রাম অফিসার জলি চৌধুরী। বাকি দু’জন হলেন খাদ্য নিরাপত্তা শাখার যুগ্ম সচিব কৃষ্ণা মার্ডি এবং আয়ূশ শাখার যুগ্ম সচিব সুনীতি মিত্র দেব। এঁরাই এদিন স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে বদলির আর্জি জানিয়ে হোমপারে চিঠিও দিয়েছেন বলে জানা গেছে। কিন্তু হঠাৎ করে কেন নিলেন এমন সিদ্ধান্ত? আসুন জেনে নেওয়া যাক্।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

দপ্তর সূত্রের খবর থেকে জানা গেছে, এসসব আইস এবং ডব্লুবিসিএস অফিসাররা স্বাস্থ্য সচিব অনিল ভর্মার ব্যবহার এবং কর্মপদ্ধতি নিয়ে চূড়ান্ত অসন্তুষ্ট। আগেও নাকি একবার অনিলজির বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের একাংশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষেভ উগড়ে দিয়েছিলেন। তারপর মুখ্যমন্ত্রী অনিলজিকে ব্যবহার ভালো করতে কড়া নির্দেশও দিয়েছিলেন। তবে অবস্থা পাল্টায় নি। তাঁর আচরণ পরিবর্তন হয়নি। এবার জল মাথা ছাপিয়ে উপর থেকে দৌড়াচ্ছে। সহ্যের সীমা পেরিয়ে গেছে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌছেছে যে বাধ্য হয়ে তাঁদের বদলির আর্জি জানাতে হয়েছে সমবেত ভাবে। জানা গেছে বদলি চাওয়া অফিসারদের মধ্যে অন্যতম সিনিয়র একজন কিছুদিন আগ্য মুখ্যসচিব মলদ দে-র সঙ্গে দেখা করে অন্য দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়ার দেওয়ার আবেদন করেছিলেন। তবে যাঁরা এখনো সরকারিভাবে বদলির আবেদনপত্র পেশ করেননি,তাঁরা মানে মানে এ দপ্তর থেকে সরে যেতে পারলেই গঙ্গা স্নান করেন যেন! এমনটাই অবস্থা।

অন্যদিকে,সোমবারে দপ্তরের গুরুত্বপূর্ন রিভিউ মিটিং-এ চার মহিলা আধিকারিক এবং পিজি’র প্রাক্তন অধিকর্তা ডাঃ প্রদীপ মিত্রকে প্রধানসচিব আসতে বারণ করলে তাঁরা অত্যন্ত অপমানিত বোধ করেন। এটাই মহিলা আধিকারিকদের বদলি চাওয়ার অন্যতম কারণ হিসাবে সামনে এসেছে। এদিকে স্বাস্থ্যদপ্তরের অন্যতম সচিব দেবাশিষবাবু বদলি চাওয়ার কথা স্বীকার করলেও আভ্যন্তরীন গোলযোগের কথাটা সতর্কভাবে তিনি এড়িয়ে গেলেন।

জানান যে,ছ বছর একই দপ্তরে থাকার দরুণ তিনি বদলির জন্য আর্জি জানিয়েছেন। এর থেকে বেশি সংবাদমাধ্যমকে জানাতে তিনি রাজি নন,বলেই জানালেন মিডিয়াকে। এমনটাই মতামত অতনুবাবুরও। ওদিকে বদলি চাওয়ার ইস্যুতে ফোনে কৃষ্ণাদেবীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোনই ধরলেন না। সুনীতিদেবী তো ফোন তুলে ভুল নম্বর ডায়াল করা হয়েছে জানান। এছাড়া যাঁর বিরুদ্ধে এতো অভিযোগ সেই অনিম ভর্মার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকেও ফোনে পাওয়া গেল না।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!