এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূল কর্মী মনোরঞ্জনের খুনিদের কড়া বার্তা দিলেন অভিষেক

তৃণমূল কর্মী মনোরঞ্জনের খুনিদের কড়া বার্তা দিলেন অভিষেক

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের খবর আসতে শুরু করে। সম্প্রতি সন্দেশখালিতে বিজেপির দুই কর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। এমনকি এই ব্যাপারে রাজ্যের আইনশৃংখলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেও শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল গেরুয়া শিবির।

এই যে এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সম্প্রতি দলীয় কার্যালয়ের সামনেই খুন হতে হয় খানাকুল ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা তৃণমূল নেতা মনোনয়ন পাত্রকে। যেখানে মূল অভিযোগ ওঠে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আর রবিবার সেই খানাকুলের মৃত তৃণমূল নেতা মনোরঞ্জন পাত্রের বাড়িতে যান তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর সেখানেই উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, “মনোরঞ্জন বাবু অত্যন্ত ভদ্রলোক ছিলেন। এলাকায় শিক্ষক হিসেবে তার সুনাম ছিল। যারা সিপিএমের অনিল বসুর মদতে রাজনীতি করত, তারাই এখন রাম বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে এলাকায় অশান্তি তৈরি করতে চাইছে।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

পাশাপাশি বিগত 34 বছরে বাংলায় যে সন্ত্রাস সৃষ্টি হয়েছিল, সেই সন্ত্রাস বিজেপি আবার ফিরিয়ে আনতে চাইছে বলেও এদিন অভিযোগ করেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি। অন্যদিকে এই মনোরঞ্জন রায়ের মৃত্যু প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বিষয়টা দেখছেন। 16 জনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে, তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। অভিযুক্তরা যদি ভাবে মুকুল রায়, দীলিপ ঘোষ বাঁচাবে, তাদেরকে বলি দিল্লির বাবারাও বাঁচাতে পারবে না। তৃণমূল বদলা নয়, বদলের রাজনীতি চেয়েছিল। কিন্তু আজ যদি আমরা বদলার রাজনীতি শুরু করি, তাহলে এদের দূরবীন দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না।”

এদিকে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অচলাবস্থা এবং সন্দেশখালিতে তাদের দুই কর্মী মারা গেলে এর পেছনে বাংলাদেশের জামাত সংগঠন রয়েছে বলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন। এদিন তার পাল্টা সেই দিলীপবাবুকে খোঁচা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, “দীলিপবাবুর মস্তিষ্কের ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন। কখন কি বলেন তা নিজেই জানেন না।” সব মিলিয়ে এবার দলীয় কর্মী মনোরঞ্জন পাত্র খুনে বিজেপি এবং সিপিএমকে কড়া ভাষায় বিঁধলেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!