এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নবান্নের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর যাতায়াতের রাস্তাতেই গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা

নবান্নের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর যাতায়াতের রাস্তাতেই গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা

এবার রাজ্য সরকারের সদর দপ্তর নবান্নের সামনেই গায়ে আগুন লাগিয়ে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার চেষ্টায় তীব্র চাঞ্চল্য ছাড়ালো। সূত্রের খবর, গত কাল বিকেল চারটার সময় হাওড়ার গোলাবাড়ি থানা এলাকার ত্রিপুরা রায় লেনের বাসিন্দা 40 বছরের বাপন সাহা বিদ্যাসাগর সেতুর দিক থেকে নবান্নের মূল গেটের দিকে আসছিলেন।

জানা যায়, সেই সময়ে তার হাতে সবুজ রংয়ের প্লাস্টিকের ক্যানের মধ্যে ভর্তি কেরোসিন ছিল। এদিকে ট্রাফিক গার্ডের পোস্ট থেকে কিছুটা দূরে ওই ক্যানে থাকা সমস্ত কেরোসিন তেল নিজের গায়ে ঢেলে দেয় সেই বাপন সাহা। আর তারপরই ধীরে-ধীরে দেশলাই জ্বালিয়ে নিজের গায়ে আগুন ধরানোর চেষ্টা করে নবান্নের দিকে এগিয়ে আসেন তিনি।

এদিকে যুবকের এই কর্মকাণ্ড দেখে হতচকিত হয়ে যান নবান্নের মূল গেটে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশকর্মীরা। তড়িঘড়ি পোস্টের সামনে নিয়ে গিয়ে সেই যুবকের গায়ে জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন তারা। কিন্তু ততক্ষণে তার শরীরের 90 শতাংশই অগ্নিদগ্ধ হয়ে গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, এরপরই আপৎকালীন অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সে করে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় সেই বাপন সাহাকে। কিন্তু এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারের সদর দপ্তর নবান্নের নিরাপত্তায় উঠতে শুরু করেছে বড়োসড়ো প্রশ্ন।

কেননা বিদ্যাসাগর সেতুর অ্যাপ্রোচ রোডে যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছে ঠিক সেই রাস্তা দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য মন্ত্রীরা যাতায়াত করেন। ফলে পুলিশকর্মীদের সতর্ক দৃষ্টি থাকাতেও কেন এই রকম কাজ হলো তা ভেবে পাচ্ছেন না কেউই। একাংশের ধারণা, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন নবান্নে না আসায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটু ফাঁক ছিল। আর তখনই এহেন ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কেন এইভাবে রাজ্য সরকারের সদর দপ্তরের সামনে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করলেন বাপন সাহা?

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিন এটু সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু জানা না গেলেও সেই বাপন সাহার বাবা বলেন, “বেআইনি প্রমোটিং, পুকুর ভরাট সহ নানা অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় দরবার করেও কাজ না হওয়ায় আমার ছেলে মানসিক অবসাদে ভুগছিল।” কিন্তু সমস্যার সমাধান তো এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা করে হবে না! আর তাই এবার এই তিক্ত ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে নবান্নের সামনে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে তৎপর প্রশাসন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!