এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা ও সেই কক্ষের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এনে দোষীদের শাস্তির দাবিতে মৌন অবস্থান বিজেপি শিক্ষক সেলের

বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা ও সেই কক্ষের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এনে দোষীদের শাস্তির দাবিতে মৌন অবস্থান বিজেপি শিক্ষক সেলের

গত মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি রোড শোতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ বনাম বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতা। আর এই গোটা ঘটনায় আশ্চর্যজনকভাবে ভেঙে যায় বিদ্যাসাগর কলেজের ভেতরে থাকা ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রাচীন মূর্তি। শাসক দল তৃণমূলের দাবি, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গার পেছনে বিজেপিই জড়িত। অন্যদিকে গোটা ঘটনাটি অস্বীকার করে তৃণমূল নিজেরাই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে বিজেপির নামে দোষ দিচ্ছে বলে দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির।

বিজেপির তরফ থেকে বারবার দাবি জানানো হচ্ছে যে তারা এই অন্যায় কাজের সাথে যুক্ত নয়, তৃণমূল এই কাজ করে বিজেপির নাম দোষ দিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে।আর এই নিয়ে বিজেপির দাবি যেই এই কাজ ক্রুর তাদের শাস্তি চাই, আর কে দোষী তা বোঝা যাবে ওই ঘরে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আনলে। তাই অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এনে দোষীদের শাস্তি দেওয়া হোক।

আর সেই দাবিতেই এদিন বিদ্যাসাগর কলেজে তৃণমূলী গুন্ডাদের দ্বারা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে আজ কলকাতার ধর্মতলায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে মৌন অবস্থান করল ভারতীয় জনতা পার্টির শিক্ষক সংগঠন বিজেপি শিক্ষক সেল।  এই অবস্থান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভাপতি লকেট চ্যাটার্জী,বিজেপি শিক্ষক সেলের রাজ্য কনভেনার দীপল বিশ্বাস, সমেত ভারতীয় জনতা পার্টির শিক্ষক সংগঠন বিজেপি শিক্ষক সেলের নেতাও সদস্যরা।

 

লকেট চ্যাটার্জী এদিন অভিযোগ করে বলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূলী গুন্ডারা সুপরিকল্পিতভাবে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে যে কক্ষে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ছিল, সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনা হোক এবং দোষী যারাই হোক তাদের চরমতম শাস্তি দেওয়া হোক।

বিজেপি শিক্ষক সেলের রাজ্য কনভেনার দীপল বিশ্বাস বলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বদনাম করার জন্য এই ফন্দি করেছিল, যাতে ভোট বাক্সে বাঙালীর সেন্টিমেন্টে আঘাত দিয়ে সুবিধা পাওয়া যায়। কিন্তু মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর এই পরিকল্পনা ধরে ফেলেছে। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে রাজনীতি করার জবাব উনি আগামী ১৯শে মের ভোটে পেয়ে যাবেন।

বিজেপি শিক্ষক সেলের প্রাথমিক শাখার রাজ্য কো-ইনচার্জ সব্যসাচী ঘোষ এবং বুদ্ধদেব মন্ডল বলেন বাঙালী হিসাবে নিজেদের পরিচয় দিতে আজ লজ্জা লাগছে। যে মহাপুরুষের বর্ণপরিচয় পড়ে আমরা শিক্ষা লাভ করলাম, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য তৃণমূল সেই মহাপুরুষকেও ছাড়ল না। আমরা সমস্ত শিক্ষক প্রজাতি তৃণমূল কংগ্রেসের এই চূড়ান্ত নোংরামির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!