এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > সিপিএম কর্মী খুনে ৩৩ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস, ক্ষোভে ফুটছে উত্তরবঙ্গ

সিপিএম কর্মী খুনে ৩৩ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস, ক্ষোভে ফুটছে উত্তরবঙ্গ

২০০২ সালের ১৭ আগস্ট, সন্ধে সাতটা নাগাদ ধূপগুড়িতে সিপিএমের জোনাল অফিসে চলছিল গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। অভিযোগ, ঠিক সেই সময় আচমকাই সাইকেলে করে কয়েকজন কেএলও জঙ্গি সেখানে যায়। পার্টি অফিসে ঢোকার আগেই শূন্যে গুলি ছুড়তে থাকে তারা, তারপর পার্টি অফিসে ঢুকে এলোপাথারি গুলি চালায়। সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য গোপাল চাকিকে খুব কাছে থেকে গুলি করে মারা হয়, সঙ্গে মারা যান আরো ৪ জন বাম কর্মী। ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হন অন্তত ১৫ জন। তারপর গুলি চালিয়ে এলাকা থেকে ফের সাইকেলে চেপেই কেএলও জঙ্গিরা চলে যায়।
এই ঘটনায় পুলিশ মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে, ৫৯ জন সাক্ষীর বয়ানও লিপিবদ্ধ করা হয়। বিচার প্রক্রিয়ায় অংশ নেন ৩৩ জন, বাকিরা কেউ মারা গিয়েছেন কেউ বা পলাতক বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও সাক্ষ্য প্রমাণ না পেয়েই তাদের বেকসুর খালাসের নির্দেশ দিল জলপাইগুড়ি জেলা আদালত।
আর এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন নিহতদের পরিবার এবং বাম নেতৃত্ত্ব। নিহত বামকর্মীদের পরিবারের বক্তব্য, বিচার পেলাম না, আমরা উচ্চ আদালতে যাব। আদালতের বিচারে যদি কেএলও জঙ্গিরা আমাদের স্বামীদের গুলি করে না মেরেই থাকে, তবে তাঁদের কে গুলি করে মারল তা পুলিশ ও আদালত খুঁজে বের করুক। অন্যদিকে সিপিএমের ধূপগুড়ি সদর এরিয়া কমিটির আহ্বায়ক জয়ন্ত মজুমদারের বিস্ফোরক দাবি, পুলিশ ও বর্তমান সরকারের যোগসাজসে জঙ্গিরা মুক্তি পেল, পার্টিতে আলোচনা করে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!