এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা >   পুরসভার সম্পত্তি দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে

  পুরসভার সম্পত্তি দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারি জায়গা যাতে জবরদখল না হয়, তার জন্য দলের সকলকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু নেত্রীর সেই নির্দেশ মানার কথা তৃণমূল নেতাদের মুখ থেকে শোনা গেলেও, বাস্তবে তারা ঠিক উল্টো কাজটাই করেছেন‌।

বিভিন্ন সময়ে সরকারি জায়গা জমি দখল করে তা নিজেদের বলে চালানোর অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। আর এবার পুরসভার সম্পত্তি দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠল সেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, কৃষ্ণনগর পৌরসভার 14 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্বপন সাহার মল্লিকপাড়া মাঠের পাশে নাগরিক পরিষেবা দেওয়ার জন্য একটি অফিস তৈরি হয়েছিল।

কিন্তু গত বছর ডিসেম্বর মাসে এই পৌরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরই বিদায়ী কাউন্সিলর স্বপন সাহা তার সেই ঘর বন্ধ করে তার চাবি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন। তবে বুধবার রাতে সেই স্বপনবাবুর বিরোধী গোষ্ঠী বলে পরিচিত এই ওয়ার্ডেরই তৃণমূলের সভাপতি ত্রিদিব দাস তাঁর দলবল নিয়ে সেই ঘরটিতে তৃণমূলের ফ্লেক্স টাঙিয়ে নিয়ে তা দখল করে নেন বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আর এই ঘটনাতেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে ত্রিদিব দাস এবং তার দলবলের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করতে শুরু করেছেন এই ওয়ার্ডেরই তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলর স্বপন সাহা এবং তার অনুগামীরা। এদিন এই প্রসঙ্গে স্বপন সাহা বলেন, “ওটা পুরসভার টাকায় কেনা হয়নি। ওগুলো ভাড়া করা হয়েছিল। আমি সেই খরচ বহন করতাম। আমার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই যাদের কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছিলাম, তারা তা খুলে নিয়ে গিয়েছে। আমি দলের সামান্য কর্মী। যারা নেতা, তারাই ঠিক করবেন যে এভাবে পৌরসভার ঘর দলের কাজে লাগানো যায় কিনা।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে পাল্টা ত্রিদীপ দাস বলেন, “আমরা ঘর দখল করতে যাব কেন! লোকসভা ভোটের সময় তো এখান থেকেই দলের কাজ হয়েছে। কই, তখন তো কেউ কিছু বলেননি। আর ওই ঘরে তো টিভি, এসি ছিল। তাহলে কাউন্সিলর সেটা খুলে নিয়ে গেলেন কিভাবে! সেটাও তো তাহলে পুরসভারই সম্পত্তি।”

এদিকে ঘর দখল নিয়ে বিদায়ী কাউন্সিলার বনাম ওয়ার্ড সভাপতির দ্বন্দ্বে কিছুটা হলেও বিপর্যস্ত তৃণমূল। এদিন এই প্রসঙ্গে এই পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান অসীম সাহা বলেন, “পৌরসভার সম্পত্তি কোনো রাজনৈতিক দল ব্যবহার করতে পারে না। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি যে, ঠিক কি ঘটনা ঘটেছে।”

তবে যে যাই বলুন না কেন, কেন এভাবে কোনো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল পৌরসভার অফিস দখল করে সেখানে নিজেদের ব্যানার টাঙ্গিয়ে দেবেন! তা নিয়ে প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!