এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > সব্যসাচী দত্তের পাশে দাঁড়িয়ে জল্পনা বাড়ালেন মুকুল রায়

সব্যসাচী দত্তের পাশে দাঁড়িয়ে জল্পনা বাড়ালেন মুকুল রায়

বকেয়া ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। এই বকেয়া ডিএ নিয়ে সরব বিরোধীরাও। কিন্তু হঠাৎ করেই দুদিন আগে যে কথা এতদিন শোনা যেত বিরোধীদের মুখে তাই প্রতিফলিত হয় রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক তথা বিধানগর পুরসভার চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্তের মুখে, যা নিয়ে রীতিমত শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য-রাজনীতিতে। আর আজ হঠাৎ করে তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগী বিজেপি নেতা সেই ইস্যুতে পূর্ন সমর্থন নিয়ে সব্যসাচী দত্তের পাশে দাঁড়ানোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। মুকুলবাবু আজ বলেন, সব্যসাচী বাংলার মানুষের কথা বলেছে, গোটা রাজ্য জানে এটাই মানুষের মনের কথা। বাংলার মানুষের হয়ে কথা বলে সব্যসাচী কোনও অন্যায় করেনি। একটা সরকার শুধু উত্‍সব আর খেলা করে বেড়াচ্ছে। তা হোক ক্ষতি নেই, কিন্তু সরকারি কর্মীদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে কেন মিথ্যে রটনা করা হবে? কেন তাঁদের পাওনা দেওয়া হবে না? রাজ্য সরকারের কর্মীদের ৫৪% ডিএ পাওনা, অথচ রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আদালতে দাঁড়িয়ে বেমালুম মিথ্যে কথা বলে চলেছেন। আর তা নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে কোনও ভুল করেননি সব্যসাচী।
প্রসঙ্গত, রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত একসময় মুকুল রায় অনুগামী বলেই পরিচিত ছিলেন রাজনৈতিক মহলে। মুকুল রায়কে যখন সারদাকাণ্ডে সিবিআই তলব করে, তখন এই সব্যসাচী দত্তই তাঁর সঙ্গী হয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে বদলায় রাজনৈতিক সমীকরণ, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দূরত্ত্ব তৈরি হয় মুকুল রায়ের। ফলে স্বভাবতই ‘প্রকাশ্যে’ সব্যসাচী দত্তের সঙ্গেও দূরত্ত্ব তৈরি হয়। এমনকি তৃণমূল নেত্রী মুকুল রায়ের হাত থেকে ত্রিপুরার দায়িত্ত্ব কেড়ে তা দেন সব্যসাচী দত্তকেই। কিন্তু এরপর মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে একের পর এক তোপ দাগতে থাকেন, তখন কিন্তু নীরবই ছিলেন সাব্যসাচীবাবু। এরপর হঠাৎই বিরোধীদের সুরে তীব্র আক্রমন করে বসেন রাজ্য সরকারকে। আর আজ সেই বিতর্কে সব্যসাচী দত্তের পাশে দাঁড়িয়ে কার্যত জল্পনা আরো উস্কে দিলেন মুকুল রায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!