এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রাজ্য অফিসে মুকুল রায়ের বরাদ্দ ঘর দেওয়া হল তরুণ নেতাকে! জানুন পিছনের আসল সত্যিটা

রাজ্য অফিসে মুকুল রায়ের বরাদ্দ ঘর দেওয়া হল তরুণ নেতাকে! জানুন পিছনের আসল সত্যিটা

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করলেও দীর্ঘদিন কোন পদ পান নি মুকুল রায় – আর এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকদের ‘উল্লাস’ ছিল চোখে পড়ার মত। কিন্তু, মুকুলবাবু কোনও পদ না পেয়েও দলের একজন সাধারণ কর্মী হিসাবে থাকলেও – বিজেপির রাজ্য সদর দপ্তরে তাঁর জন্য বরাদ্দ হয়েছিল একটি ঘর। যা নিয়ে পাল্টা দিতে ছাড়েননি মুকুল রায়ের অনুগামীরা।

তাঁদের বক্তব্য, দাদা দলে কতটা গুরুত্ত্ব পাচ্ছেন – এই কথাতেই স্পষ্ট। কোনও পদে না থাকলেও ওনার জন্য বরাদ্দ হয়েছে আস্ত একটি আলাদা ঘর। যা আছে শুধু বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায় ও মহিলা শাখার প্রধান লকেট চট্টোপাধ্যায়ের জন্য। কিন্তু, সম্প্রতি মুকুলবাবুর সেই ঘরে ‘তালা পরে গেছে’ বলে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশিত হয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

ঘটনার সত্যতা জানার জন্য আমরা বিজেপি রাজ্য অফিসে বিভিন্ন নেতার সঙ্গে কথা বলি। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী – বর্তমানে বিজেপির রাজ্য অফিসের আয়তন খুবই ছোট। ফলে মুকুলবাবুর জন্য প্রথমে যে ঘর প্রথমে নির্দিষ্ট করা হয়েছিল – সেটিও আয়তনে খুবই ছোট। এদিকে, মুকুলবাবু জনপ্রিয় নেতা – তার উপরে তাঁকে ইতিমধ্যেই অমিত শাহ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বাংলার আহ্বায়কের দায়িত্ত্ব দিয়েছেন। আর তাই যেদিন মুকুলবাবু রাজ্য পার্টি অফিসে থাকেন – তাঁর সঙ্গে অন্তত কয়েকশো কর্মী-সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী দেখা করতে আসেন।

তার উপরে তাঁকে লোকসভা নির্বাচন সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্ত্বপূর্ন বৈঠক করতে হয় – যে বৈঠকে বেশিরভাগ সময় হয় অরবিন্দ মেনন, অথবা কোনো কেন্দ্রীয় নেতা অথবা রাজ্যের একাধিক শীর্ষনেতা উপস্থিত থাকেন। আর তাই, মুকুলবাবুকে আপাতত সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের জন্য নির্দিষ্ট ঘরটি বরাদ্দ করা হয়েছে – যেটি আয়তনে অনেকটাই বড়। সুব্রতবাবু, ব্যক্তিগত কারণে আপাতত রাজ্য অফিসে আসছেন না – আর তাই তাঁর ঘরটিকেই নির্বাচন সংক্রান্ত ঘর করা হয়েছে এবং সেখানেই বসেন মুকুলবাবু।

অন্যদিকে, মুকুলবাবুর জন্য বরাদ্দ ঘরটি দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি রাজ্যের সাংগঠনিক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ত্ব পাওয়া তরুণ নেতা কিশোর বর্মনকে। সুতরাং, মুকুলবাবুর ঘরে তালা পরে গেছে বা তাঁর নামের ফলক পরিবর্তিত হয়ে গেছে বলে অপমানিত বোধ করে আর রাজ্য পার্টি অফিসে আসছেন না – এই খবর সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। মুকুলবাবু সসম্মানেই রাজ্য বিজেপিতে আছেন এবং আজ তিনি দলীয় কাজে বর্ধমান গেছেন ও আগামীকাল দলীয় কাজে বাঁকুড়া গিয়ে তারপরে কলকাতায় ফিরবেন বলেই ৬, মুরলীধর সেন লেনের তরফে জানা গেছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!