এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > লাভপুর খুনের মামলায় আরও বড়সড় বিপদে মুকুল রায়? জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে

লাভপুর খুনের মামলায় আরও বড়সড় বিপদে মুকুল রায়? জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে



2010 সালের 4 জুন লাভপুরের নবগ্রামের সালিশি সভায় সিপিএম কর্মী তিন ভাইকে পিটিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ ওঠে লাভপুরের তৎকালীন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ঘটনার অনেকদিন কেটে যাওয়ার পরে গত 4 ডিসেম্বর পুলিশের তরফ থেকে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দিয়ে লাভপুর হত্যা মামলায় বিধায়ক মনিরুল ইসলামের পাশাপাশি ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম নেতা মুকুল রায়ের জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়।

ভারতীয় জনতা পার্টির তরফ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে না পেরে প্রতিহিংসাবশত রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে পুলিশের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে ফাঁসানো হচ্ছে। এই বিষয়ে মহামান্য হাইকোর্টের কাছ থেকে আগাম জামিনেরও আবেদন করা হয় বঙ্গ বিজেপির অন্যতম হেভিওয়েট নেতা মুকুল রায়।

তবে লাভপুর হত্যামামলায় মুকুল রায় চিন্তা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়ে তার আগাম জামিনের আবেদনপত্র ত্রুটিপূর্ণ বলে ঘোষণা করে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে মহামান্য উচ্চ আদালত। যে কারণে নিজের অগ্রিম জামিনের জন্য মুকুল রায়কে পুনরায় আবেদন করতে হবে বলে জানা যাচ্ছে আইনজীবীদের সূত্রে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, লাভপুর হত্যামামলার দীর্ঘ নয় বছর পেরিয়ে গেছে। যখন এই হত্যা কান্ড সংগঠিত হয়েছিল, সেই সময় এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম ফরওয়ার্ড ব্লকের সদস্য ছিলেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

পরবর্তীতে দীর্ঘদিন তিনি তৃণমূলের সঙ্গে বিধায়ক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির অভূতপূর্ব উত্থান ঘটে। আর এরপর সেই মুকুল রায়ের হাত ধরে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। 2010 সালের 4 জুন লাভপুরের একটি সালিশি সভায় কুটুম শেখ, ধানু শেখ এবং তরুক শেখ নামক তিনজন সিপিএম কর্মী ভাইকে ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা মনিরুল ইসলামের উপস্থিতিতেই পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছিল।

নির্বাচনে জয় যুক্ত হয়ে পরবর্তীতে তৃণমূল বিধায়ক হয়েছিলেন মনিরুলবাবু। এরপরে অভিযোগ ওঠে কার্যত মনিরুলের চাপের মুখে পড়েই পুলিশের কাছ থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় নিহত ব্যক্তিদের দাদা। তবে পরবর্তীতে নিহত এক ব্যক্তির স্ত্রী মামলাটি পুনরায় দায়ের করলে পুলিশের তরফ থেকে নতুন চার্জশিটে মনিরুল ইসলামের পাশাপাশি মুকুল রায়েরও নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এখন মুকুলবাবু হাইকোর্টের কাছে পুনরায় যে অগ্রিম জামিনের আবেদন করবেন, কোটের পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করা হয় কিনা! সেদিকেই লক্ষ্য থাকবে ওয়াকিবহাল মহলের। তবে, যেহেতু চার্জশিটে মুকুলবাবুর নাম রয়েছে এবং সেই ক্ষেত্রে তাঁর আবেদন ডলতে গৃহীত হল না – ফলে তাঁর উপর চাপ রীতিমত বেড়েছে বলেই অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের। মুকুলবাবু আদালতের নির্দেশ পাওয়ার আগেই তাঁকে গ্রেপ্তারির চেষ্টা হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!