এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > ‘গদ্দার’ মুকুল রায় দলে নেই, তাও তিনমাসের মধ্যে জাতীয়দলের মর্যাদা খোয়াবে তৃণমূল!

‘গদ্দার’ মুকুল রায় দলে নেই, তাও তিনমাসের মধ্যে জাতীয়দলের মর্যাদা খোয়াবে তৃণমূল!

একসময় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অঘোষিত দুনম্বর নেতা ছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু দলের শীর্ষনেতৃত্ত্বের সাথে রাজনৈতিক মতাদর্শগত বিভেদ সৃষ্টি হওয়ায় তিনি তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন। আর তিনি দল ছাড়ার পরেই তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা মুকুল রায়ের অনুপস্থিতিতে দলের তরফে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের দায়িত্ত্বপ্রাপ্ত নেতা অর্জুন সিং নাম না করে মুকুল রায়কে ‘গদ্দার’ বলে অভিহিত করেন। কিন্তু মুকুল রায়ের দল ছাড়ার পরে তাঁকে নিয়ে প্রকাশ্যে একটাও শব্দ খরচ করেননি শীর্ষনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আজ তিনিও এই বিষয়ে মুখ খোলেন এবং নাম না করেই মুকুল রায়কে সেই ‘গদ্দার’ বলেই অভিহিত করেন।

এই প্রসঙ্গে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মুকুল রায় জানান, তাঁর বিরুদ্ধে যে শব্দ প্রয়োগ (পড়ুন গদ্দার) হয়েছে তা মোটেই সংসদীয় রীতির মধ্যে পরে না। কিন্তু এই বিষয়ে তিনি বেশি কিছু বলবেন না। শুধু বলবেন তিনি যখন তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করেন তখন দলটি জাতীয় দলের আখ্যা পেয়ে গেছে এবং ৩৪ জন লোকসভার সাংসদ ও ২১১ জন বিধায়ক সেই দলের আছে। কিন্তু এখন তো আর তিনি দলে তিনি নেই যে ‘গদ্দারী’ করবেন, তবুও আগামী তিন মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় দলের মর্যাদা হারাবে। তবে কবে কোন অঙ্কে কিভাবে তা হবে, সেই বিষয়ে খোলসা করে কিছু জানাননি তিনি। এদিকে এই ঘটনায় শাসকদলের সমালোচনা করে মুকুল রায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অসুস্থ শরীর নিয়েই তিনি সংবাদমাধ্যমকে নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, সব ব্যাপারে শাসকদলের এইভাবে মুকুল রায়কে টেনে আনা ঠিক নয়। কিছুদিন আগেই মনিপুরের তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বা পাঞ্জাবের তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি পদত্যাগ করেছেন। সেখানে তো আর মুকুল রায় জড়িত ছিলেন না। সুতরাং সবকিছুর মধ্যেই যদি শাসকদল মুকুল রায়ের ছায়া দেখতে শুরু করে তাহলে শাসকদলকে আদতে পস্তাতে হবে।

Top
error: Content is protected !!