এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মুকুলের ডেরায় ১০ তৃণমূল সাংসদ ও সদ্য জেতা সাংসদরা? বাড়ছে জল্পনা

মুকুলের ডেরায় ১০ তৃণমূল সাংসদ ও সদ্য জেতা সাংসদরা? বাড়ছে জল্পনা

Priyo Bandhu Media

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্ন দুমড়ে-মুচড়ে দিয়ে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। আর গেরুয়া শিবিরের এই মেগা-উত্থানের পিছনে অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হলেন মুকুল রায়। বর্তমানে লোকসভা নির্বাচন মিটে যেতেই মুকুল রায় নতুন ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস দলটাকেই বিপ্লবী বাংলা কংগ্রেসের মত অস্তিত্বহীন করে দিতে।

সেই লক্ষ্যে, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের ঘর ভেঙে দলে নিয়েছেন একাধিক বিধায়ক ও কাউন্সিলরদের। ছিনিয়ে নিয়েছেন একাধিক পুরসভা, এমনকি থাবা বসিয়েছেন যুব ও ছাত্র সংগঠনেও। তৃণমূলের ভাঙন এতটাই তীব্র করেছেন মুকুল রায় যে, পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার করতে জেলায় ছুটছেন খোদ তৃণমূল নেত্রী। কিন্তু, তা সত্ত্বেও বোধহয় তৃণমূলের ভাঙন আটকাতে সক্ষম হচ্ছেন না তিনি – তার বড়সড় ইঙ্গিত আজ দিল্লিতে দিলেন মুকুল রায়।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

মুকুলবাবু আজ দিল্লিতে এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে জানান, বুকের ব্যাথা হঠাৎ করে ঠিক হয়ে যায় না! একটু একটু করে বাড়তে থাকে – তৃণমূলের অন্তত ১০ জন বিধায়ক এই মুহূর্তে আমার কাছে আছেন। শুধু তাই নয়, সদ্য জয়ী সাংসদদের একাধিক জন আমার সঙ্গে যোগাযোগে আছেন। আমরা আপাতত ২০২০ তে পুর নির্বাচন ও ২০২১-এ বিধানসভা নির্বাচন ধরে এগোচ্ছি। কিন্তু, যেভাবে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা দল ছাড়তে চাইছেন, তাতে নিশ্চিত করে বলতে পারি – বিধানসভা নির্বাচন তার আগেই হয়ে যাবে!

এদিকে, কিছুদিন আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের লাভপুরের বিতর্কিত বিধায়ক মনিরুল ইসলাম বিজেপিতে যোগ দেন। আর তারপরেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়ে যায় গেরুয়া শিবিরের অন্দরে। হাওড়া থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত তো বটেই, বিজেপি সমর্থকদের একাংশও এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মুকুলবাবু জানান, দল বড় করতে হবে, কিন্তু তা কোনোমতেই দলীয় কর্মীদের ভাবাবেগে আঘাত করে নয়। সুতরাং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও রণনীতি নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনা করে এগোনো হবে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!