এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ফের প্রতারণা কাণ্ডে গ্রেফতার হলেন ঘনিষ্ঠ, প্রবল বিপাকে মুকুল রায়

ফের প্রতারণা কাণ্ডে গ্রেফতার হলেন ঘনিষ্ঠ, প্রবল বিপাকে মুকুল রায়

নিজের চানক্য বুদ্ধি দিয়ে সব কিছু পাশ কাটাতে চাইলেও সমস্যা যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের। সূত্রের খবর, এবার সরশুনা প্রতারণাকাণ্ডে সেই মুকুলবাবুর ঘনিষ্ঠ আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। যা নিয়ে মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ দু’জনকে গ্রেফতার করা হল।

জানা গেছে, বিজেপি নেতা বাবান ঘোষের পর এবার বাবুঘাট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ সাদ্দাম আলিকে। প্রসঙ্গত, গত বুধবার সকালে ভারতীয় জনতা মজদুর ট্রেড ইউনিয়নের রাজ্য সভাপতি বাবান ঘোষকে আটক করা হয়। তারপর তাকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার কাছ থেকেই সাদ্দাম আলির নাম জানতে পারা যায়। যারপরই তার খোঁজ শুরু করে পুলিশ। আর এবার অবশেষে বাবুঘাট থেকে সেই সাদ্দাম আলিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রেলের স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে দফায় দফায় ৭০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের নেতা তথা টলিউডের একটি বিজেপি সংগঠনের সভাপতি বাবান ঘোষের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সরশুনা থানায় এই ব্যাপারে একটি অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় বাসিন্দা সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়।

যে এফআইআরে নাম রয়েছে বিজেপি নেতা মুকুল রায়েরও। আর এই এফআইআর দায়েরের পর সেই ব্যবসায়ী সন্তু গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “২০১৫ সালে সুরেশ প্রভু রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বিজেপি নেতা বাবান ঘোষ তাঁকে রেলের স্থায়ী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আমাকেও সংসদেও নিয়ে যাওয়া হয়। রেলের দফতর থেকে মন্ত্রীর সই করা কিছু কাগজও আমাকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে যখন আমার সন্দেহ হয়, তখন সেই কাগজগুলো নিয়ে পূর্ব রেলের সদর দফতর ফেয়ারলি প্লেসে গিয়েছিলাম।”

তবে পরবর্তী ক্ষেত্রে যখন তিনি বুঝতে পারেন পুরোটাই প্রতারণা, তখন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। আর তারপরই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এদিকে ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথমে বাবান ঘোষকে পুলিশ আটক করলে এবার মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ সাদ্দাম আলিকে আটক করল তারা। জানা গেছে, আজ ধৃতকে আদালতে তোলা হয়। সব মিলিয়ে একের পর এক মামলায় মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ গ্রেপ্তার হওয়ায় প্রবল অস্বস্তিতে বঙ্গ বিজেপির চাণক্য।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!