এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > যাদুগর মুকুল জাদু দেখাচ্ছেন, তবে কি হাওয়া লাগছে বিজেপির পালে

যাদুগর মুকুল জাদু দেখাচ্ছেন, তবে কি হাওয়া লাগছে বিজেপির পালে

যাদুগর মুকুল জাদু দেখাচ্ছেন, তবে কি হাওয়া লাগছে বিজেপির পালে উঠছে প্রশ্ন ? বিজেপি হিন্দুত্বের রাজনীতি করে এই বদনাম বহুদিনের। শাসকদল তাদের সভা সমিতি থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারে বার বার বলেছে যে বিজেপি দাঙ্গা লাগায়, ওরা সংখ্যালঘুদের জন্য কিছু করবে না বরঞ্চ তাদের যতটা অসুবিধায় ফেলা যায় ততটা ফেলবে। সকলের এতো প্রচারের পরেও নজিরবিহীন ভাবেই আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে গেরুয়া শিবির মনোনীত সংখ্যা লঘু প্রার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সূত্র বলছে ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সংখ্যা ছিলো ১০০ জনেরও কম , ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৮৫০ জন। রাজনৈতিক মহলের মতে একদা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মুকুল রায় বিজেপি দলে যোগদানের পরেই রাতারাতি এই পরিবর্তন নিসঃন্দেহেই মুকুল রায়ের অভিজ্ঞ পরিকল্পনার ফল।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

জানা যাচ্ছে মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ অনেক সংখ্যালঘু নেতা-নেত্রী বিজেপি-তে যোগদান করেছে। মুকুল রায় যখন আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির দায়িত্বে, তখন স্বাভাবিকভাবেই সেইসব সংখ্যালঘুদের অনেকেই মনোনয়ন পেয়েছেন। অবশ্য রাজনৈতিক মহলের মতে এই সংখ্যালঘু মুসলিম প্রার্থীদের বেশিরভাগই বাম, কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস দল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেছে। যদিও বিজেপি সূত্রের খবর অনুয়ারী জানা গিয়েছে রাজ্যের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন নয়, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে সাফল্যই তাদের মূল লক্ষ্য। তার জন্য সাম্প্রদায়িক তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া বিজেপি শিবির। সেই কারণেই এবার গেরুয়া শিবির রেকর্ড সংখ্যক সংখ্যালঘু প্রার্থীকে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়েছে । কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি ত্রিপুরা বিজয়ের পরে যে পশ্চিমবঙ্গকে নিশানা করেছে তা অনেক আগে থেকেই আভাস পাওয়া গিয়েছিলো। পরিকল্পনা মাফিক রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বকে সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ রাজ্যে দলীয় সংগঠন মজবুত করতে নির্দেশ ও দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশের মাণ্যতা দিয়েই বিজেপি নয়া কৌশল প্রয়োগ করে এগোতে চাইছে। সুতরাং বিজেপির পলে হাওয়া লাগাতে
যাদুগর মুকুল জাদু দেখাচ্ছেন একথাই মনে করছেন রাজনৈতিকমহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!