এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বড়সড় জয় পেলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র – জেনে নিন বিস্তারিত

বড়সড় জয় পেলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র – জেনে নিন বিস্তারিত

Priyo Bandhu Media


কর্পোরেট জগৎ থেকে রাজনীতিতে পা রেখেই কার্যত ঝড় তুলছেন তৃণমূলের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কর্পোরেট জগৎ থেকে রাজনীতি করার অভীপ্সায় তিনি প্রথমে যোগ দেন কংগ্রেসে। রাহুল গান্ধীর খুব ঘনিষ্ঠও ছিলেন, কিন্তু এরপর তিনি কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দেন তৃণমূলে। তৃণমূলও তাঁর বাগ্মিতাকে কাজে লাগাতে তাঁকে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে অন্যতম মুখপাত্র করে দেয় তৃণমূল।

সেখানে একদিকে যখন তিনি বাগ্মিতা দিয়ে মমতা ব্যানার্জির নীতি তুলছিলেন সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে, তখন অন্যদিকে এক ন্যাশনাল চ্যানেলে রাজনৈতিক বিতর্কের মাঝেই ‘মধ্যমা’ দেখিয়ে বিতর্কও তৈরী করেন। কিন্তু এতসবের পরেও তৃণমূল নেত্রী প্রথমে তাঁকে করিমপুর বিধানসভা ও পরে কৃষ্ণনগর লোকসভা আসন থেকে তৃণমূলের টিকিট দেন। দুবারেই অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে লড়াই করে জয়ের হাসি হাসেন তিনিই।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর দিল্লির রাজনীতিতে পা রেখেই, সংসদের প্রথম বক্তৃতাতে কার্যত ঝড় তুলে দেন তিনি। অধিবেশনের প্রথম দিনেই তিনি আমেরিকার বিখ্যাত লেখক মার্টিন লংম্যানকে উদ্ধৃত করে কেন্দ্র সরকারকে আক্রমন করেন। তিনি সেই লেখকের লেখা থেকে উধারন টেনে মোদী সরকারের ‘ফ্যাসিস্ট’ হয়ে ওঠার ব্যাখ্যা করেন। স্বাভাবিক ভাবেই বিরোধী শিবিরে একজন এত ভালো বাগ্মী পেয়ে অন্যান্য বিরোধী দলের সাংসদরাও উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন। এমনকি, তাঁরা এগিয়ে এসে মহুয়াদেবীকে অভিনন্দনও জানান।

কিন্তু এরপরেই এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে, মহুয়া মৈত্র মার্টিন লংম্যানের লেখা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে সংসদে বক্তব্য রাখেননি, বরং পুরোপুরি তাঁর ভাষণ মার্টিন লংম্যানের লেখার নকল! আর এই খবর পরিবেশনের জন্য মহুয়াদেবী সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দিল্লির মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মানহানির মামলা করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক সেশন কোর্টে গিয়ে মহুয়াদেবীর করা মামলার উপর স্থগিতাদেশ আনেন।

পাল্টা মহুয়াদেবী দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেন, সেশন কোর্টে মানহানির মামলা হস্তক্ষেপ করা উচিত হয়নি। এই নিয়েই তীব্র আইনি লড়াই চলছিল দুই পক্ষের মধ্যে। সব দিক বিবেচনা করে আজ দিল্লি হাইকোর্ট তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রের পক্ষে রায় দিয়ে মানহানির মামলায় সেশন কোর্টের আদেশ বাতিল করে দেয়। মূল মানহানির মামলায় কি হবে, সে কথা পরে জানা যাবে – কিন্তু, আপাতত মানহানির মামলার উপর স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ায় বড় জয় পেলেন মহুয়া মৈত্র বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!