এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিজেপিতে নিয়ম ভাঙলে রেহাই নেই! হেভিওয়েট নেতাকে কঠোর শাস্তি দিয়ে প্রমান করলেন মোদী-শাহরা

বিজেপিতে নিয়ম ভাঙলে রেহাই নেই! হেভিওয়েট নেতাকে কঠোর শাস্তি দিয়ে প্রমান করলেন মোদী-শাহরা

2014 সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার আগেই স্বচ্ছতাকে প্রধান হাতিয়ার করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরবর্তীতে সম্প্রতি 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে গণতন্ত্র এবং রাজধর্ম পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। আর যেমন কথা, তেমন কাজ – নিজের দলের বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও পুর-আধিকারিককে ব্যাট দিয়ে প্রহারের অভিযোগে দল থেকে আকাশ বিজয়বর্গীয়কে বহিস্কার করার সিদ্ধান্ত নিল গেরুয়া শিবির।

প্রসঙ্গত, গত 26 শে জুন ইন্দোরে এক পুর-আধিকারিক বেআইনি ভাবে বসবাস করা একটি জায়গা থেকে কিছু মানুষকে উচ্ছেদ করতে গেলে, সেই ঘটনার প্রতিবাদে সংশ্লিষ্ট পুর-আধিকারিককে রীতিমত ব্যাট দিয়ে আক্রমণ করেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় পুত্র তথা মধ্যপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক আকাশ বিজয়বর্গীয়। আর এই ঘটনার পরই সর্বত্র বিতর্ক তৈরি হয়, ভাইরাল হয়ে যায় সেই ভিডিও, নিন্দার ঝড় ওঠে দেশ জুড়ে।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

বিজেপি বিধায়ক হওয়ার সুবাদেই কি অন্যায় করেও ছাড় পেয়ে যাবেন আকাশ বিজয়বর্গীয়? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেও শুরু করে দিয়েছিল বিভিন্ন মহল। কিন্তু না এমন ঘটনার কোনটাই ঘটল না। উল্টে কিছুদিন আগে এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আকাশ বিজয়বর্গীয় জেল থেকে বের হলে তাঁকে যাঁরা সংবর্ধনা দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি একটি বৈঠকে গোটা ঘটনার সমালোচনা করতে দেখা যায় স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

আর এবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে তিনি সব সময় ন্যায়ের পথেই হাঁটবেন – সেই বার্তা দিয়ে দলীয় বিধায়ককে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলে মত বিশেষজ্ঞদের। জানা যায়, গত সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মধ্যপ্রদেশের বিজেপির শাখা থেকে ইন্দোরর ঘটনা সম্পর্কে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট চান। আর তার পরিপ্রেক্ষিতেই এবার এই ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত নিল গেরুয়া শিবির। প্রথম পাঁচ বছরের শাসনকালে দুর্নীতি নিয়ে মোদির দিকে আঙ্গুল তুলতে পারেননি। তিনি যে ন্যায়ের পথেই চলবেন, তা আরও একবার প্রমান করে দিলেন।

এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রাজিব প্রতাপ রুডি বলেন, “মোদীজি জানিয়েছেন কেউ ভুল কিছু করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তা প্রত্যেকের জন্যই প্রযোজ্য।” রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দলীয় বিধায়ক হওয়া সত্বেও তিনি যে রাজধর্ম পালন করে অন্যায়ের বিরুদ্ধেই পথ চলতে চান তা আকাশ বিজয়বর্গীয়কে বহিস্কারের মধ্যে দিয়েই প্রমান করে দিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধু তাই নয়, এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে বিরোধীদেরকেও কোণঠাসা করার চেষ্টা করল গেরুয়া শিবির বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top