এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > জল্পনা বাড়িয়ে মোদী-শাহর সঙ্গে বৈঠক শেষে বড় দাবি রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর

জল্পনা বাড়িয়ে মোদী-শাহর সঙ্গে বৈঠক শেষে বড় দাবি রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর

লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক হিংসা চরম আকার নিতে থাকে। তৃণমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির প্রবল উত্থানে বেশ কিছু জায়গায় একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক আচরণ করায় প্রান যায় অনেক সাধারণ মানুষের। সম্প্রতি সন্দেশখালির ন্যাজাটের হাতগাছি এলাকায় শাসক দল তৃণমূল বনাম বিরোধী দল বিজেপির সংঘর্ষে দুই বিজেপি কর্মী এবং এক তৃণমূল কর্মীর নিথর দেহ উদ্ধার হওয়ায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এদিকে ভোট পরবর্তী হিংসায় বাংলায় এমন ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে চিঠিও পাঠানো হয়। আর এরপর থেকেই জল্পনা তৈরি হতে থাকে, তাহলে কি সন্দেশখালির এই ঘটনায় কেন্দ্র হস্তক্ষেপ করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করবে! আর এমনই দোদুল্যমান পরিস্থিতিতে আজ বাংলার রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এদিন বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার আগে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী বলেন, “রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আমার যা জানা আছে তা আমি প্রধানমন্ত্রীকে খোলাখুলি জানাব।” এদিকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে রাজ্যের সমস্ত কিছুর রিপোর্ট তুলে দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। তারপরই বাইরে বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, “আমার যা বলার ছিল আমি প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সবটাই বলে দিয়েছি। এখন তারা কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, তা তাদের ওপরই নির্ভর করছে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরই যেভাবে সন্দেশখালির ঘটনায় প্রাণ গেছে একাধিক রাজনৈতিক দলের কর্মীদের, তাতে শাসকদলের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দেওয়া হয়েছে। আর এই রকম একটা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর কাছে এখন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্যপাল ঠিক কি রিপোর্ট দিলেন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

Top
error: Content is protected !!