এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ফের প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত” অনুষ্ঠানের জন্য মাঠের অনুমতি নিয়ে বিতর্ক, অনুষ্ঠান বাতিল বিজেপির

ফের প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত” অনুষ্ঠানের জন্য মাঠের অনুমতি নিয়ে বিতর্ক, অনুষ্ঠান বাতিল বিজেপির

কিছুদিন আগেই ঠাকুরনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার জন্য ম্যাথ নিয়ে তুমুল রাজনৈতিক চাপান উত্তর শুরু হয়েছিল রাজ্যে বিজেপি আর তৃণমূল সরকারের মধ্যে। বিজেপির অভিযোগ ছিল যে তৃণমূল কিছুতেই সভা করার জন্য মাঠের অনুমতি দিচ্ছে না আর তা একপ্রকার রাজনৈতিক চক্রান্ত। অন্যদিকে তৃণমূল এই সব কিছুকে উৎখাত করে দিয়ে দাবি করেছিল যে বিজেপি মিথ্যা কথা বলছে।

সে সব সমস্যা শেষ হতে না হতেই ফের এদিন আবারও মাঠে প্রধানমন্ত্রীর সভার অনুমতি পাওয়া নিয়ে বিতর্ক দেখা দিলো। যার জেরে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে জনকল্যাণ মাঠে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভারত কে মন কি বাত’ অনুষ্ঠান বাতিল করল বিজেপি নেতৃত্ব। আজকেই ওই মাঠে সভা হওয়ার কথা ছিল।

বিজেপির দাবি যে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে জনকল্যাণ মাঠে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভারত কে মন কি বাত’ অনুষ্ঠান করার জন্য প্রথমে  ক্লাব কতৃর্পক্ষকে চিঠি দিয়ে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। আর ক্লাব কতৃর্পক্ষ অনুমতি দিয়েছিলো ফলে ওই মাঠে প্যান্ডেল তৈরির প্রস্তুতিও শুরু হয়েছিল। কিন্তু কোনো একটি অজ্ঞাত কারণে শুক্রবার রাতে তাদের ফোন করে জানানো হয় যে ওই মাঠের অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না। যার জেরে আজকের অনুষ্ঠান বাতিল করতে বাধ্য হয় বিজেপি।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিন এই নিয়ে বিজেপির দাবি শাসকদলের হুমকিতে ক্লাব কতৃপক্ষ এমন কাজ করতে বাধ্য হয়েছে। তৃণমূল সব জায়গায় এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সভাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজুর, মুকুল রায় উপস্থিত থাকতেন আর সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাঁচ বছরের সাফল্য ও আগামী পাঁচ বছর আর কোন কোন উন্নয়নমূলক কাজ করা যেতে পারে, সেই সব জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হতো। ফলে শাসকদল ভয় পেয়েই এই কাজ করেছে।

অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি যে প্রধানমন্ত্রীর ওই অনুষ্ঠানে লোক হবে না বুঝতে পেরেই বিজেপি নেতারা অনুষ্ঠান বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে,আর এখন উপায় না দেখে আমাদের নাম মিথ্যা রটাচ্ছে। এমন রাজনীতি আমরা করি না।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!