এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ময়নাগুড়ির সভা আশ্বস্ত করেছে স্বয়ং নরেন্দ্র মোদিকে, জলপাইগুড়ি লোকসভাতে ভিন রাজ্যের হেভিওয়েট দিয়ে প্রচারে ঝড়

ময়নাগুড়ির সভা আশ্বস্ত করেছে স্বয়ং নরেন্দ্র মোদিকে, জলপাইগুড়ি লোকসভাতে ভিন রাজ্যের হেভিওয়েট দিয়ে প্রচারে ঝড়

বাংলা থেকে ২২ আসন জয়ের লক্ষমাত্রা নিয়ে ময়দানে নামার পরিকল্পনার কথা রাজ্যের মাটিতে সভা করে কয়েক মাস আগেই আগেই জানিয়ে দিয়ে গিয়েছেন জাতীয় বিজেপি সুপ্রিমো অমিত শাহ। আর বাংলার লোকসভা কেন্দ্র গুলির মধ্যে জলপাইগুড়ি আসনটিকে যে পাখির চোখ করেছে বিজেপি সেটাও ঠারে ঠারে বুঝিয়ে দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা।

সেজন্যেই এবার অসম, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী সহ দলের প্রভাবশালী নেতাদের এনে প্রস্তুতির শেষবেলায় জলপাইগুড়িতে নির্বাচনী প্রচারে নামতে চাইছে বিজেপি। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ময়নাগুড়িতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় রেকর্ড পরিমান লোক জমায়েত হতে দেখে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে আশাবাদী হয়ে পড়েছে গেরুয়াশিবির।

এ প্রসঙ্গে বিজেপি’র জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি দেবাশিস চক্রবর্তী বলেছেন,”এবারে এখানে নির্বাচনী প্রচারে আমাদের রাজ্যের আশপাশের কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দলের প্রার্থীর হয়ে প্রচারে আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর সভায় মানুষের ঢল বুঝিয়ে দিয়েছে জলপাইগুড়ি আসনের মানুষ বিজেপি’র প্রার্থীকে জয়ী করতে চাইছেন।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

বিজেপি সূত্রের খবর থেকে জানা গিয়েছে,আগামী মাসের ২ তারিখ পর্যন্ত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বুথস্তরের নেতারা জনসংযোগ বাড়ানোর কাজ করবেন। আর এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের খতিয়াম তুলে ধরা হবে,পাশাপাশি যারা এসব প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন তাঁদের সঙ্গেও বিস্তারে কথা বলবেন নেতারা। ৬ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত প্রত্যেকটি বুথের কর্মী সম্মেলনে শেষ করে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে দিলীপ ঘোষেদের।

এর মধ্যে নির্বাচনের নির্ঘন্টও ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। তাই ভোটের দিনক্ষণ জানার পরই কেন্দ্রীয় স্তরের নেতাদের রাজ্যে এনে বিভিন্ন জায়গায় সভা করানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বিজেপির। দলের জেলা নেতাদের দাবী,গত কয়েক বছরে শুধুমাত্র জলপাইগুড়ির জন্যে বেশ কিছু প্রকল্পের ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। যেটা এই আসনে বিজেপির জয় নিশ্চিত করতে ফলপ্রসূ হবে।

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জলপাইগুড়ি জেলায় তৃণমূলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর তালিকায় উঠে এসে নিজেদের ক্ষমতার জানান দিয়েছে বিজেপি। জেলা পরিষদের ১৯ টি আসনেই তৃণমূল জয়ী হলেও পঞ্চায়েত সমিতির আসন এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট প্রাপ্ত আসনের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে স্বমহিমায় জায়গা করে নিয়েছে বিজেপি।

তুলনামূলক ভাবে পিছিয়ে পড়া সিপিএম,কংগ্রেসের বহু সদস্য পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকেই বিজেপিতে এসে দলের সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধি করেছে। তাই এই প্রেক্ষিতে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলকে কড়া টক্কর দিতে৷ চলেছে বিজেপি,এমনটা ধরে নেওয়াই যায়। আর জেলায় বিজেপির প্রচারকে আরো জোরদার করতেই অসম, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীদের এনে সভা করাতে উদ্যোগী হয়েছে মুরলীধর লেনের কর্তারা।

দলের একাংশের মতে,গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলার অধিকাংশ জায়গায় মানুষকে তৃণমূল বিজেপি প্রার্থীদের ভোট দিতে বাধা দিয়েছে। তাছাড়া বেশ কিছু জায়গায় চাপে পড়েও মনোনয়ন বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে প্রার্থীরা। তবে এবার লোকসভা ভোটে রাজ্য সরকার দাদাগিরি ফলাতে পারবে না। ভোট হবে সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বলয়েী আওতায়।

তাই ভীন রাজ্য থেকে হেভিওয়েট মুখ্যমন্ত্রীদের এনে দলীয় প্রচার কর্মসূচি জোরদার করতে চাইছে বিজেপি। তাঁদের বিশ্বাস,এটা করলে দলের প্রার্থীরা বাড়তি সুবিধা পাবে। তবে জেলা বিজেপিকে তেমন গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল৷ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী বক্তব্য,জলপাইগুড়ি আসনে এবারেও তৃণমূল প্রার্থী রেকর্ড ভোটে জয়ী হবেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!