এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ‘সড়ক’ যোজনা প্রকল্পের নাম পাল্টানোর বিস্ফোরক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে, শাসক বিরোধী লড়াই অব্যাহত

‘সড়ক’ যোজনা প্রকল্পের নাম পাল্টানোর বিস্ফোরক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে, শাসক বিরোধী লড়াই অব্যাহত

নির্মিত রাস্তার নাম নিয়ে মোদী-মমতার লড়াই রাজনৈতিকমহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলো কয়েকদিন আগেই। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার রাস্তার বোর্ড রাতারাতি পাল্টে গিয়েছিলো বলে অভিযোগ উঠেছিল।

শিলিগুড়ির ডাবগ্রাম দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ উঠেছিল যে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার একাধিক নির্মীয়মান বা নির্মিত রাস্তার নামে বোর্ড এক রাতের মধ্যেই পাল্টে গিয়েছে। বোর্ডগুলোকে সাদা রঙে মুছে নতুন করে লেখা হয়েছে রাস্তাগুলি বাংলার গ্রাম সড়ক যোজনার।

যা নিয়ে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক তারজা। কিন্তু এদিন একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। যাতে দেখা যাচ্ছে যে, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার নাম বদলে বাংলার গ্রাম সড়ক যোজনা নামের স্টিকার লাগিয়ে দিচ্ছ এক যুবক।

ওই ভিডিওতে আরো দেখা যাচ্ছে যে, ওই যুবক নিজেকে ইঞ্জিনিয়ার বলে দাবি করছেন। আর সাথেই দাবি করছেন যে, এই কাজটি করার জন্য তাঁকে নির্দেশ দিয়েছে উপরমহল। তাদের জিজ্ঞাসা করতে বাকি কিছু জানতে।যদিও এই ভিডিওটি রাজ্যের কোন জায়গার তা জানা যায়নি।

 

আর এই নিয়েই সরব হয়েছে বিজেপি। তাদের দাবি যে তারা যা বলেছে এই ভিডিও তার প্রমান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এইভাবে কেন্দ্রের প্রকল্প নিজেদের নামে চালাচ্ছে।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

যদিও তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি যে ওই লোকটি বিজেপির কর্মী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদনাম করার জন্য এই কাজ করছেন।এটা বিজেপির কারসাজি।
তৃণমূলের নাম করে নিজেরাই এই কাজ করছে যাতে মানুষের কাছে মা মাটি সরকরের নাম দিয়ে বিভ্রান্তি ছাড়ানো যায়।

দেখে নিন ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি —

আসল সত্যি কি তা জানা যায়নি। প্রিয়বন্ধুর তরফ থেকেও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই প্রবন্ধটি শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে করা। কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় বা কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে রচিত নয়। 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!