এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > গরীবের প্রতি দায়বদ্ধতায় আজ প্রধানমন্ত্রীর উপর চাপ বাড়াতে কোমর বাঁধছেন মুখ্যমন্ত্রী

গরীবের প্রতি দায়বদ্ধতায় আজ প্রধানমন্ত্রীর উপর চাপ বাড়াতে কোমর বাঁধছেন মুখ্যমন্ত্রী

মহাত্মা গান্ধীর সার্ধ শতবর্ষ উপলক্ষে মোদীজির ডাকা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দিচ্ছেন দিলেও রাজ্যের বঞ্চনার প্রতি হওয়া লড়াই অব্যাহত রাখছেন তিনি এমনটাই জানালেন। একটি চিঠিতে অভিযোগ লিখে মোদীজিকে তিনি জানান, অন্যান্য রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিক তৈরি হয়েছে । গরীব মানুষের চিকিৎসা,শিক্ষা,অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে এই টাকা ব্যবহার করা হচ্ছে। এখান থেকে জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসার জন্য খরচ করা হয়েছে এছাড়া সাহায্য করা হয়েছে গরীব মেধাবী পড়ুয়াদের পড়াশুনো চালিয়ে নেওয়ার জন্য। তবে তহবিলে সবসময় চাপ থাকে। কারণ হিসাবে তিনি বলেছেন কর্পোরেট সংস্থাগুলোর থেকে তেমন অনুদান মেলে না তাই অনেককে সাহায্য করা যায় না।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

আসলে, মোদী ক্ষমতায় এসে সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর কথা বললেও রাজ্যগুলিকে আর্থিক ভাবে বঞ্চিত করছে। নিজেদের মতো প্রকল্প তৈরি করে চাপ বাড়াচ্ছে রাজ্যের উপর। অনগ্রসর জেলার উন্নয়ন প্রকল্পেও একতরফা সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে, তা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে রাজ্য। এ বার তাই কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলের মধ্যে সমতার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্প সংস্থার ‘কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা’-র তহবিল থেকে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিলে অর্থ মঞ্জুরের ছাড়পত্র রয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ মঞ্জুরের ছাড়পত্র নেই। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কোম্পানি আইনে এই তহবিলের অর্থ বরাদ্দের জন্য মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলকেও অন্তর্ভুক্ত করা হোক। গরিব মানুষের বঞ্চনা কমুক।
রাজনৈতিক সূত্রের খবর থেকে জানা গেছে, ২০১৩ সালের কোম্পানি আইন ও ২০১৪-র কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ম মাফিক ৫ কোটি টাকার বেশি নিট মুনাফাযুক্ত সংস্থা অথবা যাদের ব্যবসা অন্তত ১,০০০ কোটি বা শেয়ার দরের ভিত্তিতে বাজারে যে সংস্থাগুলির মোট মূল্যায়ন (মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন) ৫০০ কোটি, তাদের গড় নিট মুনাফার ২% এই দায়বদ্ধ খাতে খরচ করতে হবে।সংস্থাগুলি দারিদ্র বা লিঙ্গবৈষম্য দূর করা, শিশু ও মায়েদের স্বাস্থ্য রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা বা বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মতো নানা খাতে এই তহবিলের অর্থ খরচ করতে পারে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই কোম্পানি আইনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিলের অর্থও এর আওতায় পড়বে। এর ভিত্তিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুক্তিতে জানিয়েছেন যে এর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলও যোগ হলে, তা প্রশংসনীয় হবে। রাজ্যগুলির পক্ষে মানুষের দরকারে পাশে দাঁড়ানো সহজ হবে।

আজ থেকে প্রিয় বন্ধু বাংলার অফিসিয়াল ফেসবুক আইডি হল – Priyo Bandhu Bengali

আমাদের সব খবর, সমস্ত আপডেট পাওয়া যাবে এখানেই – https://www.facebook.com/pbmediaofficial/

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!