এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মোদীর কুর্তা পাঠানো প্রসঙ্গে মুখ খুলে অভিষেকের দাবিকে খন্ডালেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী, শোরগোল রাজ্যে

মোদীর কুর্তা পাঠানো প্রসঙ্গে মুখ খুলে অভিষেকের দাবিকে খন্ডালেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী, শোরগোল রাজ্যে

লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃনমূলের টার্গেট 42 টি আসনের মধ্যে 42 টি আর অন্যদিকে বিজেপির 22 থেকে 23 টি আসন- দু’পক্ষের মধ্যে এনিয়ে যখন বাকযুদ্ধ চলছে, ঠিক তখনই সেই তরজায় বাধ সাধল মিষ্টি এবং কুর্তা।

সম্প্রতি নিজের বাসভবনে অক্ষয় কুমারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রবল বিজেপি বিরোধী তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদী বলেন, “মমতা দিদি নিজের পছন্দমত বেছে বেছে দুটি করে কুর্তা আমার জন্য পাঠান। একবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিষ্টি নিয়ে আলোচনার সময় সেই আড্ডায় থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার মিষ্টি প্রীতির কথা জানতে পারেন। মাঝেমধ্যে তিনি আমাকে মিষ্টিও পাঠান।”

আজ প্রধানমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যেই শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে। সমালোচক মহলের তরফে বলা হয়, আসলে ভোটের আগে তার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমঝোতা রয়েছে – এই ব্যাপারটি স্পষ্ট করার জন্যই প্রধানমন্ত্রীর তরফে “তৃণমূল নেত্রী তাকে মিষ্টি এবং কুর্তা পাঠান” বলে সেই তৃণমূলকেই চাপে ফেলার চেষ্টা করলেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই গোটা ব্যাপারটির ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে মাঠে নামেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতারা। সম্প্রতি ব্যাপারে মুখ খুলে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড যুব তৃনমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নরেন্দ্র মোদী বাংলার সভায় এসে কেন তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে মিষ্টি এবং কুর্তা পাঠিয়েছেন তা বলেননি? দিল্লীতে বসে শুধুই মিথ্যে কথা বলছেন।”

তবে শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই নয়, এই ব্যাপারে মোদির বক্তব্যকে সম্পূর্ণরূপে “মোদির চমক” বলে উল্লেখ করেছেন তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন। কিন্তু অভিষেক হোক বা ডেরেক – প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় প্রত্যেকেই নরেন্দ্র মোদির সেই কুর্তা এবং মিষ্টি নিয়ে মন্তব্যের বিরোধিতা করলেও যাকে উদ্দেশ্য করে নরেন্দ্র মোদী সেই মন্তব্য করেছেন সেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার প্রধানমন্ত্রীর সেই মন্তব্যতেই সীলমোহর দিয়ে দিলেন।

সূত্রের খবর, এদিন বীরভূমের সিউড়ির জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে স্বীকার করে নিয়ে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি অনেককেই কুর্তা পাঠাই। উনি শুধু একটা নাম নিয়েছেন। আমি অনেককেই জন্মদিনের কার্ড পাঠাই, কুর্তা পাঠাই।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

ফলে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে সমর্থন করায় তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে এই ব্যাপারে মন্তব্য করে যে অনেকটাই বিপাকে পড়লেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে সীলমোহর দেওয়ায় শেষ মুহূর্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথার আর কোনোই ভিত্তি রইল না। সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত সমালোচক মহলের একাংশ।

এই নিয়ে বিরোধীদের দাবি প্রধান মন্ত্রীকে কুর্তা মিষ্টি পাঠানোর খবর তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন না। তৃণমূলের ভিতরের এতবড় একটা খবর তাঁর জানা নেই এটা কি করে সম্ভব ? তিনি তো দলের দুই নম্বর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি প্রধানমন্ত্রী হন তবে তাঁকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী করা হবে বলেও দাবি করা হয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে তাহলে? বা জানা থাকলেও কেন মোদিকে মিথ্যায় বলছেন বলে দাবি করলেন।

এদিকে এই নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল। তাদের দাবি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সৌজন্যের খাতিরে কাকে মিষ্টি পাঠালেন,কাকে কুর্তা পাঠালেন তার হিসাব ও কি অভিষেক রাখবে? ওর কাজ সংগঠন দেখা,দলের খবর রাখা। ফলে ইটা না জানাটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু রাজনৈতিকমহলের দাবি তৃণমূলের করা দাবি অনুযায়ী যিনি বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তার তো এই দিকেও নজর রাখা জরুরি। আর রাদহনমন্ত্রী তো আর অন্য কেউ নন। যদিও এই নিয়ে অভিষেকের কাছে থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তিনি এই নিয়ে কি বলেন তার দিকে তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!