এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > দুবেলা ফেসিয়াল করা ‘অপদার্থ’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী! একের পর এক বিস্ফোরক দাবি হেভিওয়েট তৃণমূল নেত্রীর

দুবেলা ফেসিয়াল করা ‘অপদার্থ’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী! একের পর এক বিস্ফোরক দাবি হেভিওয়েট তৃণমূল নেত্রীর

সামনেই লোকসভা ভোট। হাতে গোনা আর কয়েক মাস বাকি মাত্র। এই মুহূর্তে ভোট প্রস্তুতি নিয়ে একদিকে সাজো সাজো রব রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অন্দরে,তেমনি জোর কদমে চলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচারমূলক কর্মসূচি। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শাসক বনাম বিরোধীদের আক্রমণ তথা পাল্টা আক্রমণের খেলা তো লেগেই রয়েছে।

গতকাল বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের খাস তালুক উত্তপ্ত হল তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দোলা সেনের আক্রমণাত্মক ভাষণে। ১৯’এর ব্রিগেড সমাবেশের প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়ায়। সেখাই প্রধান বক্তার ভূমিকায় দেখা যায় রাজ্যসভার সাংসদ তথা আইএনটিটিইউসি সভানেত্রী দোলা সেনকে।

সভায় বক্ত্য রাখতে উঠে প্রথম থেকেই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় তোপ দাগেন তিনি। বলেন, ‘মোদীর মত অপদার্থ প্রধান মন্ত্রীর জন্য লজ্জিত আমরা।’ এরপর নিজের বক্তব্যের সাপেক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন,আমাদের দেশের ৭০% মানুষ এখনো দুবেলা পেট ভরে খেতে পায় না। অধিকাংশ মানুষ এখনো দরিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে। অথচ দেশের প্রধানমন্ত্রী দুবেলা ফেসিয়াল করেন। দিনে চার বার পোশাক পরিবর্তন করেন। দশ লক্ষ টাকার স্যুট পড়েন। সেই স্যুট আবার নিলামে বিক্রি হয়। এরকম বিলাসী প্রধানমন্ত্রী ভারতের মতো ঐতিহ্যশালী দেশের প্রধানমন্ত্রী কুর্সি দখল করে রেখেছেন গত সাড়ে চার বছর ধরে,এটা দেশবাসীর কাছে লজ্জাজনক।

প্রধানমন্ত্রীর সূত্র ধরে দলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন তৃণমূলের এই সাংসদ। বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতো বড় মাপের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও সবসময় সাদামাটা ভাবেই থাকেন। বিমানে বিজনেস ক্লাসে কখনো চড়েন না। সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গেই যাতায়াত করেন। নেত্রীর অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনই প্রমাণ করে যে তিনি সততার প্রতীক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো জনদরদী নেত্রী গত ১০০ বছরেও জন্মায়নি এবং আগামী ১০০ বছরেও জন্মাবে না বলে দাবী করেন তিনি।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

শুধু তাই নয়,দলনেত্রীর প্রশংসা করতে গিয়ে প্রসঙ্গে সিপিএম,কংগ্রেসকেও একহাত দিয়ে বলেন,’সিপিএম কংগ্রেস বিজেপি তাঁদের ঝুলি থেকে এরকম একজন মমতা বন্দোপাধ্যায় বের করে দেখাতে পারবে না।’ উন্নয়ন হোক বা মানুষের পাশে থাকার প্রসঙ্গ,যোগ্যতা হোক বা দূরদর্শিতা সবতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক নম্বর,এমনটাই দাবী করেন দোলা।

এর পাশাপাশি কথা প্রসঙ্গে গেরুয়াশিবিরের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেত্রী। দেশবাসী যে বিজেপিকে আর চায় না,তার প্রমাণ দিয়ে গেল সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। গোবলয়ের এতোদিনের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে যেভাবে ভরাডুবি হয়েছে বিজেপি,তাতে বিজেপির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মনোভাবের স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে। তিনি আরো বললেন,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৮ এর শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকেই বিভাজনের রাজনীতি হটিয়ে দেশ বাঁচানোর বার্তা দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর একটাই শ্লোগান,’বিজেপি হঠাও দেশ বাঁচাও,মোদী হঠাও দেশ বাঁচাও।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সে স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। ২০১৯-এ পলিটিক্যালি বিজেপি ফিনিস হতে চলেছে এমনটা বলেই গর্জে উঠলেন তৃণমূলের এই প্রভাবশালী নেত্রী। দোলা সেন এদিন বক্তব্যের শেষ সাংবাদিকদের আরো বলেন,১৯’এর ব্রিগেড জনসভায় দেশের সমস্ত অ-বিজেপি রাজনৈতিক দলের হেভিওয়েটরা জমায়েত হয়ে মানুষের কাছে বিজেপির প্রকৃত স্বরূপ তুলে ধরবেন।

যে যে রাজ্যে বিজেপি বিরোধী শক্তি যতটা শক্তিশালী, তাঁরা তাঁদের মত করে সর্বশক্তি দিয়ে বিজেপি বিরোধিতা করবেন। বিগ্রেডের মঞ্চ থেকেই সুসংহত এবং ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপি বিরোধীতার বার্তায় গেরুয়াশিবিরের ভীত কাঁপিয়ে দেওয়া হবে। এমনটা বলেই গর্জে উঠলেন রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!