এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > রায়বেরেলি নিয়ে চিন্তা নেই, মোদী ঝড়কে তোয়াক্কা না করে আরও একবার সংসদে যেতে আত্মবিশ্বাসী সনিয়া

রায়বেরেলি নিয়ে চিন্তা নেই, মোদী ঝড়কে তোয়াক্কা না করে আরও একবার সংসদে যেতে আত্মবিশ্বাসী সনিয়া


গত 2017 সালেই রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা তিনি ঘোষণা করলে বিভিন্ন মহলে জল্পনা তৈরি হতে থাকে তাহলে কি দীর্ঘদিনের তার দখলে থাকা রায়বেরেলি আসনে এবার সেই সোনিয়া গান্ধীর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রতিদ্বন্দিতা করবেন? কিন্তু না,মাকে ছাড়া রায়বেরেলি ভাবাই যায় না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। আর এরপরই গত বছরের 16 ই ডিসেম্বর ছেলে রাহুল গান্ধীর হাতে দলের সমস্ত দায়িত্ব দিয়ে দেন সোনিয়া গান্ধী।

আর তখনই ছেলের অভিষেকের মঞ্চে দাঁড়িয়ে কুড়ি বছর আগে তিনি সভাপতি হওয়ার সময় তার কি রকম অনুভুতি হচ্ছিল তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন সোনিয়া গান্ধী। ইন্দিরা হত্যা থেকে রাজীব হত্যা – প্রায় সমস্ত কথাই তুলে ধরেছিলেন তার বক্তব্যে। এমনকি 72 বছর বয়সে সেই রায়বেরেলিতে তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন শুধু দলের ডাকেই বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

বিজেপির তরফ থেকে বরাবরই অভিযোগ করে আসা হয়েছে যে, এই রায়বেরেলি লোকসভা কেন্দ্রটিতে কংগ্রেস বরাবরই নিজেদের পরিবার তন্ত্রের রাজনীতি করে এসেছে। কিন্তু যে যাই বলুন না কেন, জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা গেছে সোনিয়া গান্ধীর গলায়।

মনোনয়ন পর্বে তিনি বলেছেন, “2014 র কথা ভুলবেন না। অটল বিহারী বাজপেয়ী নিজেকে অপরাজেয় ভেবেছিলেন, কিন্তু আমরাই জিতেছিলাম।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায়বেরেলির ধুলোবালি থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুই কংগ্রেসের অনুগত। এক কথায় এটাকে কংগ্রেসের গড় বললেও খুব একটা ভুল হবে না। কিন্তু এবারে কি এই রায়বেরেলি লোকসভা আসনটি কংগ্রেস দখল করতে পারবে?

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই ব্যাপারে এই রায়বেরেলিতে কংগ্রেসের সমস্ত কাজ দেখাশোনা করা কিশোরীলাল শর্মা বলেন, “2014 র প্রবল মোদি ঝড়েও সোনিয়া ম্যাডামকে বিজেপি হারাতে পারেনি। 2017 সালের বিধানসভা ভোটে এই লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি দুটি আসন পেয়েছিল। তাই মোদিজী যতই কুৎসা করুন না কেন, সোনিয়া ম্যাডামকে ছাড়া রায়বেরেলি কিছু ভাবতেই পারে না।” প্রসঙ্গত, গত 2004 সাল থেকে এখানে একটানা সাংসদ রয়েছেন সোনিয়া গান্ধী।

এমনকি এই কেন্দ্র থেকে ইন্দিরা গান্ধীর পাশাপাশি পরবর্তীকালে শিলা কল বা সতীশ শর্মার মতো গান্ধী পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠরা টিকিট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশে যেখানে কংগ্রেসের সংগঠন তলানীতে, সেখানে এই রায়বেরেলি লোকসভা কেন্দ্রের দুটি বিধানসভার একটি কংগ্রেসের দখলে থাকলেও সম্প্রতি দীনেশপ্রতাপ সিং বিজেপিতে যাওয়ায় তাকে এই কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে এখানে বিজেপি প্রার্থী করায় সেখানে কংগ্রেসের জয়লাভের পথ কতটা মসৃণ হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তৈরি হয়েছে জল্পনা।

তবে যে যাই বলুন না কেন, দেশজুড়ে বিজেপিকে সরাতে যে বিরোধী মহাজোট তৈরি হয়েছে যেখানে যে দল শক্তিশালী সেই দলই সেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানানো হলে রায়বেরেলিতে শক্তিশালী সোনিয়া গান্ধীকে আটকানোর মতো বিরোধী শক্তি কেউ নেই, বরঞ্চ সোনিয়া গান্ধীই বিরোধীদের মুখ। ফলে তিনি বিজেপিকে অনেকটাই কুপোকাত করতে পারেন বলে দাবি করতে শুরু করেছে হাত শিবির। তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় তা দেখবার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে আগামী 23 মে পর্যন্ত।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!