এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে সরাতে মরিয়া তৃণমূলের অন্দরে ব্রিগেড নিয়েই ঝড় তোলার পরিকল্পনা

কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে সরাতে মরিয়া তৃণমূলের অন্দরে ব্রিগেড নিয়েই ঝড় তোলার পরিকল্পনা

শুধু বাংলা নয়, সারা দেশে বিজেপি বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলকে এক করে কেন্দ্রের বিরোধিতায় সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে সরাতে সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে সবসময়ই নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহ প্রত্যেকের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত তোপ দেগে চলেছেন তিনি।

সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে প্রায় সমস্ত বিজেপি বিরোধী দলের তরফে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে বিজেপি বিরোধীতার ব্যাটিং নিজেদের হাতেই রাখতে আগামী 19 শে জানুয়ারি কলকাতায় ব্রিগেড সমাবেশকে হাতিয়ার করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। যেখানে দেশের প্রায় সমস্ত বিজেপি বিরোধী দলকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই রাজ্যে 2011 সালের পর থেকেই অস্তিত্ব সংকট দেখা দিয়েছে বাম এবং কংগ্রেসের। একদিকে দলীয় অন্তর্কোন্দল অন্যদিকে সংগঠনের ভঙ্গুর দশা – এই দুইয়ে প্রবল বিপর্যস্ত আলিমুদ্দিন স্ট্রিট ও বিধান ভবন। যার জেরে রাজ্যে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে সেই বিজেপি। ফলে 2011 সালের আগে যে বামেরাই ছিল তৃণমূলের প্রধান শত্রু, এখন শাসক তৃণমূলের চোখে সেই শত্রুর সংজ্ঞারও পরিবর্তন হয়েছে।

প্রায় প্রতিনিয়তই সভা-সমিতি করে বিজেপির মুকুল রায় থেকে দিলীপ ঘোষরা দাবি করছেন এই রাজ্যে এবার দাগ ফোটাবে পদ্মফুল। পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকেও খোঁচা দিয়ে বলা হচ্ছে, “পদ্ম কেন! পদ্মের কুঁড়ি টুকুও ফুটবেনা এই বাংলায়।”

পাশাপাশি 2019 এ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের পরে দেশে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখা যাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বলে দাবি করছেন রাজ্যের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাই এহেন পরিস্থিতিতে আগামী 19 শে জানুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশ কেই এখন পাখির চোখ করতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। সূত্রের খবর, এনিয়ে আগামী 16 ই নভেম্বর রাজ্য স্তরের এক কেন্দ্রীয় কর্মীসভারও ডাক দেওয়া হয়েছে। যেখানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, এই সভা থেকেই আগামী 19 জানুয়ারির ব্রিগেড সমাবেশের প্রচারের পথ বাতলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি কালী পুজোর পর থেকেই বিজেপি বিরোধিতায় ছোট ছোট মিটিং, মিছিল করে দলের ছাত্র, যুব এবং মূল সংগঠনকে পথে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিন এ প্রসঙ্গে রাজ্য তৃণমূলের এক নেতা বলেন, “পুজোর মধ্যেই কিছু কিছু জেলায় দেওয়াল লেখা, পোস্টার লাগানো শুরু হয়েছে।” তবে বরাবর বাম বিরোধী নির্বাচনী লড়াইয়ে অভ্যস্ত ঘাসফুল শিবিরের কাছে এবারের লড়াইয়ের ক্ষেত্রটা যে একেবারেই আলাদা তা মানছে তোপসিয়ার তৃণমূল ভবনও।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!