এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > নরেন্দ্র মোদির ঘুম ওড়াতে এবার দিল্লির বুকে ধর্নায় এই মুখ্যমন্ত্রী – জানুন বিস্তারিত

নরেন্দ্র মোদির ঘুম ওড়াতে এবার দিল্লির বুকে ধর্নায় এই মুখ্যমন্ত্রী – জানুন বিস্তারিত

এবার লোকসভা ভোটের মুখে মোদী বিরোধী সুর আরো চড়া করতে রাজধানীর বুকে অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা কট্টর বিজেপি বিরোধী নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু। এদিন সকালে সাতটা নাগাদ রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানান চন্দ্রবাবু নাইডু।

এরপর আম্বেদকরের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান। এরপর আটটা নাগাদ ধরনায় বসেন তিনি। বিরোধী জোটের মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক কেন্দ্র বিরোধী ধরনার পর আরেক অবিজেপি নেতার মোদীবিরোধী ধরনা অবস্থান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গে ধরনা মিছিলে সামিল হয়েছেন সেরাজ্য সামিল হয়েছেন টিডিপি সাংসদ ও বিধায়করা। জাতীয় কংগ্রেস সুপ্রিমো রাহুল গান্ধীও নাইডুর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন বলেও জানা যাচ্ছে।

সূত্রের খবর,রাজ্যের জন্য বিশেষ মর্যাদার দাবি এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য গঠন আইন না মানার অভিযোগ করে দিল্লিতে একদিনের অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এই ধরনা সফল করার জন্যে বিক্ষোভে লোক নিয়ে যেতে দুটি ট্রেন ভাড়া হয়েছিল।

হাতের মুঠোয় আরও সহজে প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে যোগ দিন –

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রকাশিত খবর অনুযায়ী,জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট ১.১২ কোটি টাকা দিয়েছে দুই ট্রেন ভাড়া করার জন্য। ২০ টি করে কামরা রয়েছে দুটি ট্রেনেই। দক্ষিণ মধ্য রেল থেকে এই ট্রেনদুটি ভাড়া করা হয়েছে। রাজ্যের এক সরকারি আধিকারিক অমরাবতীতে জানিয়েছেন,অন্ধ্রপ্রদেশের সরকার কেন্দ্রবিরোধী প্রতিবাদ সভায় লোক নিয়ে যাওয়ার জন্যে এই দুটি বিশেষ ট্রেন ভাড়া করেছে। অনন্থপুর এবং শ্রীকাকুলাম থেকে ছেড়ে যাওয়া দুটি ট্রেন ১০ ফেব্রুয়ারি নতুন দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার নাগাদ ফের রাফাল কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন চন্দ্রবাবু নাইডু। ৫৯ হাজার কোটি টাকার রাফাল চুক্তি নিয়ে সব জানা সত্ত্বেও শুধুমাত্র দুর্নীতিকে সমর্থন করে চুপ থেকেছেন মোদী,এমনটাই অভিযোগ করেন তিনি। ভারতের প্রতিরক্ষায় এই রাফাল দুর্নীতিকে সবথেকে বড় কেলেঙ্কারি বলেই ব্যাখ্যা করেন তিনি। বলেন,এই কেলেঙ্কারিতে যুক্ত রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। তবে সত্যকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায় না বলেই মন্তব্য করেছিলেন চন্দ্রবাবু।

উল্লেখ্য,লোকসভা ভোট যতোই এগিয়ে আসছে ততোই মোদীসরকার বিরোধীতায় সক্রিয় হয়ে উঠছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। গত সপ্তাহেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্র সরকারের বিরোধীতায় ধরনায় বসেছিলেন। এবার দক্ষিণ ভারতের এই বিজেপি বিরোধী নেতা দিল্লিকেই বেছে নিলেন একদিনের অবস্থান বিক্ষোভের জন্যে। লোকসভা ভোট আসতে আসতে এসব অবিজেপি নেতাদের কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধী মনোভাব কোনদিকে মোড় নেয় সেটা নিয়েই এখন কৌতূহল তৈরি হয়েছে রাজনৈতিকমহলে।

Top
error: Content is protected !!