এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ চাই -এবার লড়াই সাম্প্রদায়িক মোদী আর বাংলার দিদির – অভিষেক ব্যানার্জি

বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ চাই -এবার লড়াই সাম্প্রদায়িক মোদী আর বাংলার দিদির – অভিষেক ব্যানার্জি

আসন্ন 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যের 42 টি আসনেই তারা জয় চায় বলে ইতিমধ্যেই দলীয় নেতাকর্মীদের টার্গেট দিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে নেমে গেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মূলত, এবারে বাংলায় শাসকদল তৃনমূলের সাথে মূল লড়াই এখানকার প্রধান বিরোধীদল হয়ে ওঠা বিজেপির। আর তাই প্রচার পর্বে নেমে রাজ্যের গেরুয়া শিবিরকে কটাক্ষের পাশাপাশি একযোগে বিগত বাম সরকার এবং কংগ্রেসকেও একহাত নিচ্ছেন তৃণমূলের নেতারা।

আর শনিবার নিজের কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারের সরিষার হাইস্কুল মাঠে বুথভিত্তিক কর্মীসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কড়া ভাষায় কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের সমালোচনা করেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি তথা ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ এবং বর্তমানে এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন তিনি বলেন, “আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মূল লড়াই সাম্প্রদায়িক মোদির সঙ্গে আমাদের বাংলার দিদির। আমাদের এমন চৌকিদারকে দরকার নেই যে চৌকিদার দেশ ছেড়ে অপরাধীদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করল। তাই বিজেপিকে ভোট না দিয়ে এবার তৃণমূল কংগ্রেসকে জয়ী করুন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

রাজ্যের 42 টি আসনের মধ্যে 42 টি আসনই আমাদের দখলে রাখতে হবে।” এদিকে এদিনের সভা থেকে নরেন্দ্র মোদি নিজেকে চা বিক্রেতা বলে অভিহিত করলেও কখনো তাকে চায়ের কেটলি হাতে ঘুরতে দেখা না গেলেও আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময়ই সাদা শাড়ি আর টালির চালের বাড়িতে থাকেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো পরিবর্তন নেই বলে এদিন তৃণমূল নেত্রীরও ভূয়সী প্রশংসা করেন যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

পাশাপাশি বিজেপি, সিপিএম এবং কংগ্রেস সহ রাজ্যের সমস্ত বিরোধী দলগুলোকে এদিন শ্যামাপোকা হিসেবে অভিহিত করে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি তথা ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “বিজেপি সিপিএম আর কংগ্রেস শ্যামাপোকার দল।

শ্যামাপোকা যেমন কালীপূজার সময় আসে, আবার পুজো শেষ হলেই চলে যায়, ঠিক তেমনি এদের শুধু ভোটের সময়ই দেখা মেলে, আর ভোট শেষ হয়ে গেলে ওরাও হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস আপনাদের সঙ্গে সব সময় আছে। তাই আগামী লোকসভা ভোটে গণতান্ত্রিকভাবে বিরোধীদের বিরুদ্ধে রায় দিন।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে কিছুটা হলেও উত্থান ঘটেছে বিজেপির। আর সেই বিজেপির উত্থান ঠেকাতে হলে রাজ্যের 42 টি আসনের মধ্যে 42 টি আসনই দখল করতে তৃণমূল নেত্রীর দেওয়া টার্গেটকে বেঁধে নিয়ে নিজের কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারে বিরোধীদেরকে কড়া ভাষায় খোঁচা দিয়ে রাজনৈতিক ময়দান কাঁপিয়ে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!