এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > স্বয়ং নরেন্দ্র মোদিকেও ‘থোড়াই কেয়ার’, ইনিই নাকি বাংলায় বিজেপির সাম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী মুখ!

স্বয়ং নরেন্দ্র মোদিকেও ‘থোড়াই কেয়ার’, ইনিই নাকি বাংলায় বিজেপির সাম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী মুখ!

ত্রিপুরায় লেনিন মূর্তি ভাঙা নিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের রাজ্যপাল তথাগত রায়ের একের পর এক ট্যুইটে গেরুয়া শিবির কার্যত অস্বস্তিতে । এমনিতে ত্রিপুরা জয়ের বিজেপির বিজয়োল্লাস -এর পর এই তান্ডবের চেহারা নিয়ে দেশবিদেশে নিন্দার ঝড় বইছে। এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সাথে পরামর্শের পরোয়া না করেই রাজ্যপাল ট্যুইট করতে থাকেন। প্রসঙ্গত রাজ্যপালের নিয়োগকর্তা কেন্দ্রীয় সরকার হলেও , তথাগতবাবু শুরু থেকেই ত্রিপুরার ঘটনাকে ‘বৈধতা’ দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বিজেপির এক শীর্ষ নেতার বয়ান অনুসারে,’উনি একটু বাড়াবাড়ি করছেন। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট বলে দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি এবং রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে উনি যা করছেন, তাতে আমরাই বেকায়দায় পড়ে যাচ্ছি। কেন উনি এভাবে ঘটনাটাকে ন্যায্য বলে প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছেন, সেটা উনিই বলতে পারবেন। কিন্তু ওঁর কার্যকলাপ নজরে রাখা হচ্ছে। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহও বিষয়টি নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছেন। তাতেও ত্রিপুরার রাজ্যপালের টনক নড়েনি।’ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং অমিত শাহ কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে। তারপরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কড়া নির্দেশিকা জারি করে। সেখানে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয় , যে বা যারা ওই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে। তারপরেও বিকেল নাগাদ আরও একবার সতর্কবার্তা জারি করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যাতে বলা হয়, দেশের কোনও রাজ্যের কোনও জেলায় এমন ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসক এবং পুলিসসুপার দায়ী থাকবেন। এরপর বিজেপি নেতা অমিত শাহ তাঁর ট্যুইটে বলেন,”বিষয়টি ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক’। ” তিনি আরও লেখেন , ”আমি তামিলনাড়ু এবং ত্রিপুরায় দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছি। দলের কেউ এমন কোনও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকলে দলের তরফে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খোলা মন এবং ইতিবাচক রাজনীতি নিয়ে বিজেপি এক ‘নতুন ভারত’ গড়তে চায়।” এরপর তথাগতবাবু ট্যুইট করে বলেন, ”মৌলিক প্রশ্ন’ এসে যাচ্ছে। সেটি কী? তাঁর টুইট বলছে, ‘আমরা নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া গেট থেকে পঞ্চম জর্জের মূর্তি সরিয়েছি। কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের সামনে থেকে তাঁর মূর্তি সরিয়েছি। ঔরঙ্গজেব রোডের নাম পাল্টেছি। সমস্তই করেছে বিভিন্ন সরকার। তাহলে কেন একটি সরকার লেনিনের মূর্তি সরাতে পারবে না? বা লেনিন সরণির নাম বদলাতে পারবে না? কোনও জবাব আছে?”তাই এহেন আচরণে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে বিজেপি শিবির। কেননা ত্রিপুরার পর বঙ্গ জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছে বিজেপি। আর কানাঘুসো সোনা যাচ্ছে যে বিজেপির মুখ্যমনরেই মুখ হচ্ছেন খুব সম্ভবত তথাগত রায়। তাই এতে যে তাঁর ভাবমূর্তিতে প্রভাব পড়তে পারে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!