এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে মোদী এবং শাহকে রিপোর্ট দিলেন রাজ্যপাল, এক ঘন্টারও বেশি বৈঠক, জল্পনা তুঙ্গে

বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে মোদী এবং শাহকে রিপোর্ট দিলেন রাজ্যপাল, এক ঘন্টারও বেশি বৈঠক, জল্পনা তুঙ্গে

রাজ্যের প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের আলোচনা অত্যন্ত স্বাভাবিক একটা বিষয়। আইনত রাজ্যপাল হল রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান এবং রাজ্যে নিযুক্ত কেন্দ্র সরকারের দূতও বটে।

কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের বিবাদ যখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগত অবস্থানের দিক থেকেও কেন্দ্রের শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্কের তিক্ততা যখন প্রত্যেকদিন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন রাজ্যের রাজ্যপালের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের দীর্ঘক্ষনের আলোচনা স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা তৈরি করেছে রাজ্য রাজনীতির অন্দরে।

আর এবার রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিলেন রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। দীর্ঘক্ষন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের রাজ্যপালের আলোচনায় রীতিমতো কৌতুহল উঠতে শুরু করেছে রাজ্যের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মনে। যদিও প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যপালের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রায় হয়ে থাকে। তাহলে তা এত দীর্ঘমেয়াদি কেন হল! তাও প্রশ্নের বিষয় বিশেষজ্ঞদের।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

যদিও প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠকের কোনো সরকারি বিবৃতি এখনও পর্যন্ত দিল্লির তরফ থেকে দেওয়া হয়নি। তবুও রাজ্যপালের অফিস থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল দিল্লিতে এসে ভর্তি থাকা দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির অবস্থান সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে গিয়েছিলেন।

সেখানে তার স্ত্রী পুত্র-কন্যা সঙ্গে কথা বলেন জগদীপ ধনকর। দিল্লিতে পৌঁছে তিনি ৭ লোককল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। উল্লেখ্য, কাশ্মীর থেকে 370 অবলুপ্তির পর রাজ্যে অবস্থিত কাশ্মীরি বাসিন্দাদের উপরে নজর রাখতে বলা হয়েছে।

রাজ্য সরকারকে পাশাপাশি কোনরকম বিশৃংখল পরিস্থিতি যেন না তৈরি হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে। তাই সেই বিষয়টিও রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচ্য বিষয় অংশ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিন দিল্লিতে গিয়ে আকবর রোডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল। বস্তুত, রাজ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে একাধিকবার অ্যাডভাইজারি করতে দেখা গেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে। এনআরএস কান্ড থেকে শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সব বিষয়ই কেন্দ্র আইনের শাসন জারি রাখার এবং মানবিকভাবে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে।

পাশাপাশি সংসদে বারবার তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ থেকে জিতে যাওয়া বিজেপি সাংসদরা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে একাধিকবার রিপোর্ট দিতে বলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যা নিয়ে রীতিমত ক্ষিপ্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, তৃণমূল সাংসদরা যেন সংসদে আওয়াজ তোলে। পরপর প্রায় 10 বার সংসদে তোলা সাংসদদের রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর চেয়ে পাঠানো হয়েছে মুখ্যসচিবের কাছে।

আর এইরকম একটা পরিস্থিতিতে রাজ্যের রাজ্যপাল হয়ে আসেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জগদীপ ধনকর। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরে তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন পশ্চিমবাংলার প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও নবনিযুক্ত রাজ্যপালের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত কোন রকম সংঘাতের রাস্তায় যায়নি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তবুও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যপালের আলোচনার একটি বিশেষ দিক রয়েছে বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

Top
error: Content is protected !!