এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আধিকারিক বনাম বিধায়কের লড়াই তুঙ্গে, শোরগোল রাজ্যে!

আধিকারিক বনাম বিধায়কের লড়াই তুঙ্গে, শোরগোল রাজ্যে!

দলীয় বিধায়কদের সবসময়ই প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেক ক্ষেত্রে তা হয়, আবার অনেক ক্ষেত্রে তা হয় না। আর এবার প্রকাশ্যে চলে এল তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে মহকুমাশাসকের বিরোধ। সূত্রের খবর, এবার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করে ঘাটালের তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে ঘাটাল মহকুমা শাসকের বিরোধ চরমে উঠল।

জানা গেছে, মহকুমা শাসকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে শনিবার বিধায়ক শঙ্কর দোলই বিভিন্ন দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।যা নিয়ে এখন চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সম্প্রতি বেশ কিছুদিন আগে ঘাটালের পাঁচটি ব্লকের কয়েকশো শূন্যপদে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়েছে। যেখানে 66 টি পদের জন্য এই ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছিল বলে খবর। এদিকে এই অঙ্গনওয়াড়ি শূন্য পদে বেশ কয়েকজন মহিলাকে চাকরি দেওয়ার জন্য নিজের প্যাডে মহকুমা শাসকের কাছে একটি লিখিত সুপারিশ করেন বিধায়ক শঙ্কর দোলই।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কিন্তু বিধায়কের অভিযোগ, যে প্যানেল তৈরি হয়েছে, তাতে তার দেওয়া নামের অধিকাংশ নেই। আর এরপরই রীতিমত মহকুমা শাসকের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়েছে সেই বিধায়কের। জানা গেছে, এই প্যানেল তৈরি হওয়ার পরেই মহকুমা শাসককে জানিয়ে সেই প্যানেলটি দেখার জন্য তার বাড়িতে চলে যান এই বিধায়ক। আর তারপর থেকেই শুক্রবার সেই প্যানেল সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হতে শুরু করেছে। যা নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে সেই ঘাটাল এলাকায়।

এদিন এই প্রসঙ্গে বিধায়ক শঙ্কর দোলই বলেন, “আমি মহকুমা শাসককে প্যানেল চাইতে পারি। উনি দেবেন কেন! আমি তো জনপ্রতিনিধি হিসেবে নাম সুপারিশও করতে পারি। তবে ওই প্যানেল আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিইনি।” এদিকে এই ঘটনায় তিনি মহকুমা শাসকের শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও জানিয়ে দিয়েছেন শংকরবাবু। সব মিলিয়ে এখন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করে ঘাটালের মহকুমা শাসক এবং বিধায়কের এই দ্বন্দ্ব কোথায় গিয়ে পৌঁছয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!