এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনে মুখ খুললেন মুকুল রায় – তাঁর নিশানায় এবার হেভিওয়েট তৃণমূল কংগ্রেস নেতা

সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনে মুখ খুললেন মুকুল রায় – তাঁর নিশানায় এবার হেভিওয়েট তৃণমূল কংগ্রেস নেতা

গতকাল ভর সন্ধ্যেবেলায় প্রকাশ্যে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে প্রাণ যায় শাসকদলের কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক তথা নদীয়া জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সত্যজিৎ বিশ্বাসের। যে ঘটনায় রীতিমত শোরগোল পরে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। এই ঘটনায় আতঙ্কের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে একের পর এক তৃণমূল কংগ্রেস নেতার। সকলেই এই ঘটনার পিছনে বিজেপির ‘চক্রান্তের’ গন্ধ পাচ্ছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস নদীয়া জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত অবশ্য এক ধাপ এগিয়ে এই ঘটনার পিছনে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের হাত আছে বলে সরাসরি অভিযোগ করেন।

গৌরীশঙ্কর দত্তের কথায়, হাঁসখালি থানার ফুলবাড়ি গ্রামে একটি সরস্বতী পুজোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত বিধায়ক সত্যজিৎবাবু, গৌরীশঙ্করবাবু নিজে ও রাজ্যের মন্ত্রী রত্না কর ঘোষ। গৌরীশঙ্করবাবুর শরীর ভালো না থাকায় তিনি অনুষ্ঠানের স্থান থেকে বেরিয়ে যান আগেই। এরপর মন্ত্রী রত্নাদেবী মঞ্চ থেকে নেমে যেতেই দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি করে সত্যজিৎবাবুকে হত্যা করে ভিড়ের মধ্যে মিশে যান। তবে, এই ঘটনা যারাই ঘটিয়ে থাকুক, তাদের পিছনে মুকুল রায়ের হাত আছে। এই ঘটনায় আইন আইনের পথে ব্যবস্থা নেবে – কিন্তু আগামীদিনে মুকুল রায় নদীয়া জেলায় ঢুকলে কি হাল হয় দেখবেন! তাতে আমার যা হবার হবে!

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এদিকে, গৌরীশঙ্করবাবুর এহেন হুমকির কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মুকুল রায়ের নাম জড়িয়ে গেল ঘটনায়। ঘটনার ২৪ ঘন্টা পেরোতে না পেরোতেই কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে হাঁসখালি থানার ওসি এবং বিধায়কের দেহরক্ষীকে সাসপেন্ড করল প্রশাসন, বিভগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দুজনের বিরুদ্ধেই। এছাড়াও জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ঘটনায় আটক করা হয়েছে তিনজনকে। তবে, সবথেকে উল্লেখযোগ্য হল – বিজেপি নেতা মুকুল রায় সহ আরো চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে হাঁসখালি থানায়, অভিযোগ পেতেই তদন্তে নেমে পড়েছে পুলিশ। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য বাড়ছে রাজ্য-রাজনীতিতে।

এদিকে, এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা মুকুল রায় জানিয়েছেন, সত্যজিৎ বিশ্বাস খুব ভাল ছেলে, বাচ্চা ছেলে। প্রকাশ্যে এইভাবে তাঁকে খুনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে, কোনও কারণ ছাড়াই খুনের অভিযুক্ত হিসেবে আমার নাম নেওয়া হচ্ছে, আমার বিরুদ্ধে ওঠা এইসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। অভিযোগকারী নেতা গৌরীশঙ্কর দত্তকে আইনি নোটিশ পাঠানো হবে। তবে, কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খুনে নদীয়া তৃণমূলের জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্তের ভূমিকা কি তাও খতিয়ে দেখা উচিত। দরকারে ঘটনার তদন্ত করানো হোক সিবিআইকে দিয়ে। প্রসঙ্গত, গতকালই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!