এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিধায়কদের কাছে এ কি আবেদন করলেন শিক্ষামন্ত্রী! জোর সোরগোল!

বিধায়কদের কাছে এ কি আবেদন করলেন শিক্ষামন্ত্রী! জোর সোরগোল!

দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্র-শিক্ষকের অনুপাত রাজ্যে সমান নেই বলে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন একাংশ। আর এবার সেই সমস্যার সমাধান করতে বিভিন্ন বিধায়কের কাছে তাদের বিধানসভা এলাকার স্থানীয় স্কুলের হাল-হকিকত সম্পর্কে জানতে চাইলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সোমবার রাজ্য বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে তৃণমূল বিধায়ক জ্যোতির্ময় কর এই ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি প্রশ্ন করেন। আর সেখানেই তার প্রশ্নের উত্তরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরা এক লক্ষ জায়গায় শিক্ষক নিয়োগ করেছি। তবে বহু জায়গায় এর বিন্যাস ঠিক নেই। স্থানীয় স্কুলগুলোতে শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত কেমন, তা বিধায়করা যেন শিক্ষা দপ্তরকে জানান।”

আর শিক্ষামন্ত্রীর বিধায়কদের উদ্দেশ্যে এই আবেদন নিয়ে এখন নানা মহলে তৈরি হয়েছে গুঞ্জন। অনেকে বলছেন, স্থানীয় বিধায়কদের কাছ থেকে তথ্য শুনেই এই ব্যাপারে সমস্যার সমাধান করতে চাইছে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর। তবে বিগত বাম আমলের থেকে রাজ্যে শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত অত্যন্ত ভালো রয়েছে বলে এদিন বিধানসভায় দাবি করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি যে সমস্ত স্কুল পড়ুয়া এবং শিক্ষকের অভাবে ধুকতে শুরু করেছে, তার তথ্যও বিধায়কদের দিতে বলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, এদিন সিপিএম বিধায়ক জাহানারা বেগম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি প্রশ্ন করেন। আর সেই প্রশ্নের উত্তরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ” শিশু এবং মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলো নিয়ে সরকারের বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে একসময় তো আপনারাই বলতেন শিক্ষা আনে চেতনা। চেতনা আনে বিপ্লব। এখন বিপ্লব উঠে গিয়েছে। চেতনা এসেছে। বাম আমলে এঈ ধরনের শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি করে সেই শিক্ষকদের আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে এগুলি পঞ্চায়েত দপ্তরের অধীনে ছিল। এখন শিক্ষা দপ্তরের অধীনে। শিক্ষকদের বলা হয়েছে, 60 এর কম বয়স থাকলে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা যথাযথ থাকলে তারা স্কুলে আবেদন করতে পারবেন।”

অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়ক নার্গিস বেগমের এক প্রশ্নের উত্তরে বিগত এক বছরে 73 টি স্কুল উচ্চ মাধ্যমিকে উন্নীতকরণ, 92 টি সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ার ব্যবস্থা ব্যাবস্থা করা এবং 100 টি প্রাথমিক স্কুল এবং 111 টি মাধ্যমিক স্কুলে ইংরেজি পঠন-পাঠন চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!