এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > দলীয় বিধায়ককে বহিস্কার করল বিজেপি, জেনে নিন বিস্তারিত

দলীয় বিধায়ককে বহিস্কার করল বিজেপি, জেনে নিন বিস্তারিত

গত রবিবার বিকেলবেলায় রায়বেরেলিতে গাড়ি দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন উন্নাওয়ের নির্যাতিতা এবং তার আইনজীবী। আর সেখানেই তার দুই আত্মীয় প্রাণ হারালে নির্যাতিতার মা অভিযোগ করেন যে, ধর্ষণের প্রমাণ লোপাট করতে খুনের চেষ্টা করা হচ্ছে। যে ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরবর্তীতে এই ধর্ষণের ঘটনায় নির্যাতিতার কাকা বিজেপির কুলদীপ সেনেগার সহ 9 জনের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেন।

এদিকে এই নির্যাতিতার পরিবারের ভিত্তিতে গোটা ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে গেলে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে গত 12 জুলাই সেই নির্যাতিতা এবং তার পরিবার নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে একটি চিঠি লেখেন। তবে অভিযোগ, সেই চিঠি প্রধান বিচারপতি কাছে পৌঁছয়নি।

এদিকে বুধবার এই ব্যাপারে প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় সেই রঞ্জন গগৈকে। আর আজ আদালত খুলতে না খুলতেই সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে এই ব্যাপারে আগামী 7 দিনের মধ্যে জবাবদিহি করার নির্দেশ দেন তিনি।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

শুধু তাই নয়, এদিন সিবিআইয়েরও বক্তব্য শোনেন প্রধান বিচারপতি। সূত্রের খবর, এরপরই আগামী শুক্রবারের মধ্যে ধর্ষিতাকে 25 লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য তিনি উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নিরাপত্তার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে তার পরিবার এবং আইনজীবীর ব্যবস্থা করতে বলেন।

এদিকে আদালতের তরফেই যখন এই উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হচ্ছে, ঠিক তখনই নিজেদের অবস্থান সকলের কাছে স্পষ্ট করতে তৎপর হল গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, এদিন শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপে পরই এই ধর্ষণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত কুলদীপ সেনেগারকে বিজেপির পক্ষ থেকে বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করা হয়।

সমালোচক মহলের একাংশ বলছেন, আসলে বিজেপি এখন চাপে পড়েই জেলবন্দি এই বিধায়কের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হল। কেননা এই ধর্ষণকান্ডে যখন সারাদেশ সমালোচনায় মুখর হয়েছে, ঠিক তখনই মূল অভিযুক্তকে আড়াল করে যদি বিজেপি কোনো পদক্ষেপ না নিত, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে খারাপ ভাবমূর্তি তৈরি হত। আর তাইতো সেই কুলদীপ সেনেগারকে বহিস্কার করার মধ্যে দিয়ে তারা এই ঘটনাকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করল গেরুয়া শিবির বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!