এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > মন্ত্রীর ছবিতে জুতোর মালা, পোড়ানো হল অন্য মন্ত্রীর ছবি, ধুন্ধুমার কান্ড রাজ্যে

মন্ত্রীর ছবিতে জুতোর মালা, পোড়ানো হল অন্য মন্ত্রীর ছবি, ধুন্ধুমার কান্ড রাজ্যে

Priyo Bandhu Media

রাজ্য জুড়ে যখন তৃনমূলের বিজয়পতাকা ছেয়ে গেছে, ঠিক তখনই দলের মন্ত্রীর ছবিতে জুতোর মালা এবং কোথাও বা সেই ছবি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃনমূলের একাংশের বিরুদ্ধে। বলতে দ্বিধা নেই যে এই ঘটনা গোষ্টীদ্বন্দ্বেরই ফসল! কিন্তু কোথায় এবং কেনই বা ফের এইভাবে প্রকাশ্যে এল শাসকদলের গোষ্টীদ্বন্দ্ব?

সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল কোচবিহার। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে তৃনমূল বনাম যুবর লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়েছে এলাকা। এবার সেই সমস্ত ঘটনাকে ছাপিয়ে কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচন হতে না হতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়ল দলেরই একাংশ। জানা গেছে, এই কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি হিসাবে তাঁর অনুগামীই বসবেন এমনটাই চেয়েছিলেন তৃনমূল নেতা জলিল আহমেদ। কিন্তু বাস্তবে গতকাল সেই সভাধিপতি পদে বসানো হয় উমাকান্ত বর্মনকে। আর এরপরেই কার্যত দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষনা করেন জলিল আহমেদের অনুগামীরা।

শুধু বিদ্রোহ নয়, তাঁরা এমন সব আচরন করেছিল যে দেখে বোঝার উপায় নেই যে তারা দলের কর্মী। সূত্রের খবর, কোচবিহার জেলা তৃনমূল সভাপতি তথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এবং দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহর ছবিতে জুতোর মালা পড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ন বর্মনের ছবিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ ওঠে, তৃনমূলেরই কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে। তবে শুধু জুতোর মালা এবং আগুন দিয়ে পোড়ানোই নয়, উদয়ন গুহর ছবিতে লিখে দেওয়া হয় যে, “তৃনমূলকে ধ্বংস করতেই এই উদয়ন গুহ বাঘ থেকে তৃনমূলে এসেছেন।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

পাশাপাশি শহরের বেশি কিছু জায়গায় রাস্তাও অবরোধ করে এই তৃনমূল নেতা জলিল আহমেদের অনুগামীরা। যার জেরে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদেরও। কিন্তু দলনেত্রী যেখানে দলকে আরও শৃঙ্খলায় বাধার নির্দেশ দিচ্ছেন সেখানে দিনকে দিন গোষ্টীদ্বন্দ্ব যে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে তা ফের প্রমান হয়ে গেল কোচবিহারে। মুখে বিবাদ থাকলেও দলীয় নেতাদের ছবিতে এহেন অপমানজনক মন্তব্য করার সাহস পান কি করে দলের কর্মীরা? তা ভেবে পাচ্ছেন না কেউই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!