এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মেদিনীপুরের মঞ্চের সামিয়ানা ভাঙা কান্ডের চাপাননউতোর কে জিততে চলেছে মোদি না মমতা

মেদিনীপুরের মঞ্চের সামিয়ানা ভাঙা কান্ডের চাপাননউতোর কে জিততে চলেছে মোদি না মমতা

ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে দু দলে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যদিকে মোদীজি। এই লড়াই-এর ফলশ্রুতি কী হতে পারে তা নিয়ে এখন থেকেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্যরাজনৈতিকমহল সহ জাতীয় স্তরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মেদিনীপুর কলেজ মাঠে করা জনসভায় দর্শকদের অস্থায়ী সামিয়ানা ভেঙে পড়ে আহত হন প্রায় শ-খানেক মানুষ। এরপর থেকেই বিজেপি এবং তৃণমূল পাল্টা দোষারোপের যুদ্ধ শুরু করেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছিলো যে রাজ্যসরকার ইচ্ছে করে খুনের ষড়যন্ত্র করেছে। এর জেরে ঘটনার পরের দিনই রাজ্যসরকারের তরফ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপির বিরুদ্ধে। তবে মোদীজিও বসে থাকেননি। বিজেপির বিরুদ্ধে হওয়া অভিযোগের কারণ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্র থেকে পাঠানো হয় অফিসারদের। এই অফিসারদের দলে এসপিজির আধিকারিকদের পাশাপাশি আছেন পিএমও-র অফিসাররা। এঁদেরকেই নির্দেশ দেওয়া হয় ঘটনার চুলচেরা তদন্তের।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তারপর ৬ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে মেদিনীপুর চত্বরে বৈঠক করেন তাঁরা। একে একে সংগ্রহ করেন প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান। তারপর পরেরদিন মেদিনীপুর কলেজ মাঠে আসেন বয়ানের সঙ্গে পরিস্থিতি মিলিয়ে দেখতে। অন্যদিকে মেদিনীপুরে পুলিশেরা সম্পূর্ণ দোষ চাপিয়েছে উদ্যেক্তাদের উপর। আয়োজকদের নাকি পুলিশের তরফ থেকে সতর্ক করা হয়েছিলো যে,বর্ষায় মাটি নরম আছে। সামিয়ানা ঠিকঠাক বসেনি। সভার আগের দিন রাতে বিজেপি নেতৃত্বদের জানানো হলেও তাঁরা বিষয়টিকে তেমন আমল দেননি। এর পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে আরো দাবী করা হয়, ঘটনাস্থলে যথেষ্ট পরিমান পুলিশ থাকলেও,স্বেচ্ছাসেবকদের সংখ্যা কম থাকায় ভীড় সামলাতেও বেশ সমস্যা হয়েছিলো।

তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা পুলিশের কথা সম্পূর্ণই বিশ্বাস করেননি। যেহেতু সভাটি দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। তাই এক্ষেত্রে সভা আয়োজনের ব্যাপারে কিছু প্রোটোকল মানাটা আবশ্যক। পূর্ত দফতরের ইঞ্জিয়াররকে সভার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ডিএসপি-রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়। এই রিপোর্ট ঠিকঠাক দেওয়া হয়েছিলো কিনা সেটাও তদারক করেন এদিন তদন্তকারী অফিসাররা। কলেজমাঠে গিয়ে তাঁরা সাবধান করে বলেও এসেছেন যতক্ষণ না তদন্ত সম্পূর্ণ হয়,ততক্ষণ যে জিনিস যেখানে যেমন আছে তেমনই থাকবে।

ওদিকে,বিজেপির তরফ থেকেও পাল্টা মামলা করা হবে রাজ্যসরকারের বিরুদ্ধে,এমনটাই হুমকি দিয়েছেন পদ্মশিবির কর্তরা। এরকম পরিস্থিতিতে দড়ি টানাটানির খেলায় কোন পক্ষ জেতে তা জানতে অধীর আগ্রহে রয়েছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সহ সাধারণ মানুষও। এই অবস্থায় কোন দিকের পাল্লা ভারী তা এখনই বোঝা যাচ্ছে। তার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত। ততোদিন চাপানউতোর অব্যাহত থাকবে রাজনৈতিক মহলে,এমনটাই অনুমান করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা

Top
error: Content is protected !!