এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > মতুয়া ভোট তুমি কার? তীব্র লড়াই শুরু বিজেপি-তৃণমূলে, উত্তর মিলবে মহা-সম্মেলনে?

মতুয়া ভোট তুমি কার? তীব্র লড়াই শুরু বিজেপি-তৃণমূলে, উত্তর মিলবে মহা-সম্মেলনে?

লোকসভা ভোটের দামামা বাজার বাকি রয়েছে এখনো বেশ কিছু মাস। তবে তার আগেই মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোট ব্যাঙ্ক দখল নিয়ে লড়াই শুরু হয়ে গেল বিজেপি-তৃণমূলের। এই মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোটব্যাঙ্কে বরাবরই নজর তৃণমূলের। রাজ্যের ক্ষমতায় আসার দিন থেকেই এই মতুয়া সম্প্রদায়ের উন্নয়নমূলক কর্মে একনিষ্ট হতে দেখা গিয়েছে নেত্রীকে। তিনি যখন রাজ্যে বিরোধী ভূমিকায় ছিলেন তখনও এই মতুয়া সম্প্রদায়ের নানা দরকার মেটাতে সবসময় এগিয়ে এসেছেন।

বলাবাহুল্য, তাঁর মুখ্যমন্ত্রী পদ পাওয়ার নেপথ্যে বড় ভূমিকা রয়েছে এই মতুয়া সম্প্রদায়ের। তাই আগামী লোকসভা ভোটের প্রেক্ষিতে মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোটগুলো হাতছাড়া করতে নারাজ তৃণমূলনেত্রী। তবে মতুয়াদের বর্তমান অবস্থান বুঝতে নদীয়া বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের উপস্থিতি দেখে মতুয়াদের মহা সম্মেলনের ডাক দিল দিল তৃণমূল কংগ্রেস।

এদিন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজস্ব বাসভাবনে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন নদিয়া জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত, যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সত্যজিৎ বিশ্বাস, সাসংদ তাপস মণ্ডল, মতুয়া মহাসঙ্ঘের তিন নেতা। তাঁদের উপস্থিতিতেই আগামী ৩ নভেম্বর নদীয়ায় মতুয়া মহাসম্মেলন করার ঘোষণা করলেন তিনি। বিজেপি আয়োজিত সভাস্থলেই পাল্টা মহাসম্মেলন করার ডাক দিলেন পার্থ বাবু। মতুয়ারা যে তৃণমূলের সঙ্গেই আছে সেটা বিরোধীদের বোঝাতেই বিজেপির সভাস্থলে পাল্টা সম্মেলন করার পরিকল্পনা তৃণমূলের।

তবে একথা তৃণমূল স্বীকার করতে নারাজ। তাঁদের দাবী,বিজেপির পাল্টা সভা করা হচ্ছে না। শুধু মতুয়া মহা সম্মেলন করা হবে। জেলা তৃণমূলের বক্তব্য,”আমরা খবর পেয়েছি, মুকুল রায়ের সভায় ধাপ্পা দিয়ে মতুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল এনআরসি নিয়ে আলোচনা হবে। তা না হওয়ায় মতুয়ার সভাস্থল ত্যাগ করে চলে যান।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন তিনি মতুয়া মহাসঙ্ঘের বড়মার সঙ্গে দেখা করতে যাবেন নভেম্বরে। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে যাবেন নেত্রী,নিয়ে আসবেন আর্শিবাদও। তিনি বড়মাকে নিজের মায়ের মতোই শ্রদ্ধা করেন একথা তিনি বহুবার জানিয়েছেন। মতুয়াদের কাছে এই আবেগকে কাজে লাগিয়েই ভোটব্যাঙ্কগুলো দখলে রাখার মরিয়া চেষ্টা করছে তৃণমূল। বিজেপি যাতে কোনোভাবেই মতুয়াদের সমর্থন কেড়ে নিতে না পারে সেদিকে কড়া নজর রয়েছে ঘাসফুল শিবিরের।

প্রসঙ্গত, দিন দুয়েক আগে নদীয়ার মাজদিয়ায় একটি সভা করেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। সেই সভায় রেকর্ড পরিমান ভীড় হয়েছিল মতুয়াদের। যাকে দেখে রীতিমতো চোখ কপালে উঠেছিল তৃণমূলের। মতুয়াদের বিজেপি প্রীতি দেখে ঘুম উড়েছিল তাঁদের। তাই মতুয়াদের প্রকৃত অবস্থান বুঝতে তড়িঘড়ি করে মহাসম্মেলনের ডাক দিল তৃণমূল এমনটাই দাবি বিজেপির।

তাদের মতে কোনো ভাবেই লোকসভা ভোটের আগে মতুয়াদের সমর্থন হারাতে নারাজ শাসক দল। তাই তাঁদের ভোটব্যাঙ্ক দখলে রাখতে চেষ্টার কোনো খামতি রাখবে না জোড়াফুল শিবির। সেটাই তৃণমূল আগামী মতুয়া মহাসম্মেলেন বুঝিয়ে দেবে বিজেপিকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

আর এ নিয়ে জোর চর্চা চলছে রাজনৈতিকমহলে। তবে এদিনের মহা সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বনগাঁর সাংসদ তথা ঠাকুরবাড়ির বড় বৌমা মমতাবালা ঠাকুর। স্বাভাবিকভাবে তাঁর অনুপস্থিতি কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে দলীয় অন্দরে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!