এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > লোকসভার আগে নেতাজি কে নিয়ে কি ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মোদির? কংগ্রেস-তৃণমূলের প্রতিক্রিয়ায় জল্পনা

লোকসভার আগে নেতাজি কে নিয়ে কি ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মোদির? কংগ্রেস-তৃণমূলের প্রতিক্রিয়ায় জল্পনা



ভারতবর্ষের রাজনীতিতে তিনি যুগপুরুষ’। আর তারই আজাদ হিন্দ সরকারের 75 বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে সেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কে ঘিরেই চললো প্রবল রাজনীতি। যা দেখে অনেকেই বলছেন; “সত্যি! কি বিচিত্র এই দেশ!” সূত্রের খবর; গতকাল এই আজাদ হিন্দ সরকারের 75 বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজের ভাষণে যেমন প্রমাণ করতে চাইলেন নেতাজি তাদের; ঠিক তেমনি পাল্টা মুখ খুলে বিরোধীদের তরফেও দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রীকে খোঁচা। আর এই গোটা ঘটনায় এর প্রমাণ হলো আসলে নেতাজির প্রতি শ্রদ্ধা নয়; রাজনীতিবিদরা ব্যস্ত তাদের রাজনীতি নিয়েই।

জানা যায় এদিন লাল কেল্লার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরাসরি জওহরলাল নেহেরুর নাম না করলেও তিনি বলেন; “একটি পরিবারকে বড় করতে গিয়ে নেতাজির মতো ব্যক্তিত্বকে ছোট করা হয়েছে। সুভাষচন্দ্র বসুর অবদান কে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।” আর প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যকে ধরেই বিজেপিকে তীব্র খোঁচা দিতে মাঠে নেমে পড়েছে কংগ্রেস। ছুটির দিনেও তড়িঘড়ি দলের সদর দপ্তর 24 আকবর রোডে সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে কংগ্রেস মুখপাত্র অভিষেক মনু সিংভি বলেন; “আজকের মত শুভদিনে ও রোজকার রাজনীতি করা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শোভা পায় না।”

এমনকি স্বাধীনতা সংগ্রামে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেও ছাড়েননি এই কংগ্রেস নেতা। ব্রিটিশ অপশাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতাজি যখন ভারতীয় দের উৎসাহিত করছেন সেই সময় বীর সাভারকার সকলকে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মিতে ভারতীয়দের যোগদানের ঘটনার কথা বললে এদিন সেই কথা উল্লেখ করেন অভিষেক মনু সিংভি। অন্যদিকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সাথে যে জওহরলাল নেহেরুর সুসম্পর্ক ছিল তাও উঠে এসেছে এই কংগ্রেস নেতার কথায়। জানা যায়; 1947 সালে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জওহরলাল নেহেরু যখন লালকেল্লার লাহোরী গেটে বক্তব্য রাখছিলেন ঠিক তখনই তিনি নেতাজি নাম স্মরণ করার পাশাপাশি তার অনুপস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। এমনকি লালকেল্লায় আজাদ হিন্দ বাহিনীর বিচার পর্বের অন্যতম আইনজীবী ছিলেন এই জওহরলাল নেহেরুই।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো  করুন এই লিঙ্কেখবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক

এদিন সেই সমস্ত কথা বলে 1938 সালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্ল্যানিং কমিটি যা পরবর্তীতে নেহেরু প্ল্যানিং কমিশন বা যোজনা কমিশন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন ক্ষমতায় এসে তা যেভাবে বাতিল করেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার তাতে কেন্দ্রের প্রতি নিজের ক্ষোভ উগরে দেন এই কংগ্রেস নেতা। এদিকে যখন বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে এই নেতাজি কে নিয়ে দ্বৈরথ চরমে ঠিক তখনই আজাদ হিন্দ সরকারের 75 বছর পূর্তি উপলক্ষে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস এর নেতৃত্বে এনআই এর সমস্ত বীর সেনার সংগ্রামের লড়াই এর কথা উল্লেখ করে তাদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা জানিয়ে টুইটারে একটি পোস্ট করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে চলল প্রবল রাজনীতি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!