এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > দেশের বারোটা বাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে-আমাদের ঐতিহ্য জোড়া, ভেঙে ফেলা নয়: মুখ্যমন্ত্রী

দেশের বারোটা বাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে-আমাদের ঐতিহ্য জোড়া, ভেঙে ফেলা নয়: মুখ্যমন্ত্রী

তিনি বিবিধের মাঝে মিলন মহানে বিশ্বাসী। আর তাই তো ভেদাভেদের রাজনীতিকে কখনই বরদাস্ত করেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার নেতাজী ইন্ডোরে রাষ্ট্রীয় বিহার সমাজ আয়োজিত এক অনুষ্টানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এদিনের অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সুব্রত বক্সী, পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পান্ডে, নারী শিশুকল্যান মন্ত্রী শশী পাঁজা, আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক, বিধায়ক বৈশাখী ডালমিয়া সহ প্রমুখ ব্যাক্তিবর্গেরা।

এদিনের অনুষ্টানেই নাম না করে ফের বিজেপিকে তুলোধোনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশকে বারোটা বাজিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। ভোট কাছে এলেই কেউ কেউ বিভাজনের রাজনীতি শুরু করে। বাংলা, বিহার, অসম সব মিলেই এই হিন্দুস্তান। আমাদের ঐতিহ্য জোড়া,ভেঙে ফেলা নয়।”

পাশাপাশি বাংলার সাথে তিনি যে বিহারের মানুষের পাশে সবসময় আছেন এদিন নিজের বক্তব্যে সে কথাও তুলে ধরেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে বিহারের বাসিন্দাদের জন্য হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয় যাতে তৈরি করা যায়, এদিন তারও ইঙ্গিত দেন বঙ্গের প্রশাসনিক প্রধান। শুধু তাই নয় অসমে এনআরসির ফলে বিহারের অনেক মানুষ যে আতঙ্কে রয়েছেন এদিন সেই কথা তুলে ধরে কেন্দ্রকে খোঁচা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বাংলা সকলের। এখানে এইসব হবে না।” নিজের বক্তব্যে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদযাদবের সাথে তাঁর সুমধুর সম্পর্কের কথাও টেনে আনেন তিনি।

পাশাপাশি বিহারবাসীর ছটপুজোর ঠেকুয়া, লিট্টি যে তাঁর ভীষন প্রিয় এবং পাশের বাড়ির পাশের দোকান থেকে তিনি যে এগুলো মাঝেমধ্যেই নিয়ে আসনে এদিন সে কথাও শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীর গলা থেকে। সূত্রের খবর, এদিনের এই অনুষ্টানের প্রধান উদ্যোক্তা রাজেশ সিনহা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তৃনমূল কংগ্রেস হিন্দিভাষীদের জন্যে একটি বিশেষ সেল গঠনের প্রস্তাব দিলে তাতে সিলমোহর দিয়ে সেই সংগঠনের সভাপতি হিসাবে সেই রাজেশ সিনহা এবং ভাটপাড়ার তৃনমূল বিধায়ক অর্জুন সিংয়ের নাম ঘোষনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এদিনের অনুষ্টানে যেন সোনায় সোহাগা রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। একদিকে বিজেপিকে তুলোধোনা অন্যদিকে বাড়তি পাওনা হিসাবে হিন্দিভাষীদের মনে জায়গা করে নিতে এক নতুন সেল গঠন। লোকসভার আগে বিজেপিকে চাপ দিতে এই নতুন অস্ত্র তৃনমূলের আদতে লাভই হবে বলে মনে করছেন অনেকে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!