এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ফোনে কথা রাহুল-মমতার, জোট সম্ভাবনা কি বাড়ছে?

ফোনে কথা রাহুল-মমতার, জোট সম্ভাবনা কি বাড়ছে?

তৃতীয় ফ্রন্ট কি হচ্ছে ? ফোনে কথা রাহুল-মমতার, জোট সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।বিজেপিকে ২০১৯ এ দিল্লী থেকে হটাতে ত্রিত ফ্রন্ট গঠনের ডাক দিয়ে দিল্লি গিয়েছিলেন আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সেই সফরে সোনিয়া গান্ধীর সাথে দেখা করলেও রাহুল গান্ধীর সাথে সাক্ষাৎ হয়ে নি। আর এরপরই এদিন রাহুলের তরফ থেকে আলোচনার জন্য মমতার কাছে ফোন আসে ফলে জোট জল্পনা বাড়তে থেকে।কিন্তু এদিন জানা গেছে তৃণমূল এখনও ইম্পিচমেন্ট প্রস্তাব-এ সই না করার কারণেই রাহুলের এই ফোন। এর পাল্টা উত্তরে মমতা রাহুলকে জানিয়েছেন কেবলমাত্র দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেই ইম্পিচমেন্ট প্রস্তাব আনা যায় রাজনৈতিক বিষয়ে তা কার্যকরী হয় না।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এমনটাই তিনি আইনজ্ঞদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছেন। আর তাই এই প্রস্তাব আনার পর বিরোধী জোট হেরে গেলে তা লোকসভায় অন্য রূপ নেবে বলে মনে করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বিষয়টিতে সহমত হয়েছেন ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিন ও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।যদিও এদিন কংগ্রেস নেতা আহমেদ পটেল জানান, ”মমতা কখনওই শরদ পওয়ারকে কংগ্রেসের সঙ্গ ছেড়ে তাঁর প্রস্তাবিত ফ্রন্টে যোগ দিতে বলেননি। আর প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রশ্নেও মমতা বা কংগ্রেস কেউই একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি। এটা বিজেপির অপপ্রচার। আমরা নিশ্চিত ২০১৯-এ মোদী-বিরোধী ফ্রন্ট একটাই থাকবে এবং আমরাই জিতব।”এ বিষয়ে মমতার ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, “কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে বিরোধী জোটের কথা তিনি কখনও ভাবেননি। এই প্রেক্ষাপটেই রাহুল-মমতার সরাসরি তাত্‍পর্যপূর্ণ।” জোট জল্পনা বাড়িয়ে কংগ্রেসের অন্দরে গুঞ্জন, ইমপিচমেন্ট প্রসঙ্গে মমতা-রাহুল কথা হলেও এই মুহূর্তে সেটা প্রধান ব্যাপার নয়। আসল কথা হল, দু’জনের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলা এবং মোদী-বিরোধী লড়াইয়ে পরস্পরের কাছাকাছি আসা। তৃণমূল নেত্রীর দিল্লি সফরের সময়ে বিজেপি মমতার প্রস্তাবিত ফেডারাল ফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেসের ঝগড়া বাধানোর চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে। এদিকে পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী চেন্নাই সফর আপাতত স্থগিত রেখেছেন বলে তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর। কি হবে তা ভবিষ্যৎই বলবে।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!