এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > প্রধানমন্ত্রীর মেদিনীপুরের সভার আগে তাঁর ‘অস্ত্রেই’ মাস্টারস্ট্রোক দিতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর মেদিনীপুরের সভার আগে তাঁর ‘অস্ত্রেই’ মাস্টারস্ট্রোক দিতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদীর রাজ্য সরফরের আগেই তাঁকে অনুকরণ করে নয়া রাজনৈতিক চাল তৃণমূল কংগ্রেসের। প্রসঙ্গতঃ সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার ধানের ন্যূনতম সংগ্রহমূল্য প্রতি কুইন্টালে দু’শো টাকা বৃদ্ধি করেছে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র সরকার অত্যন্ত কুশলী আঙ্গিকে বিচার করে নেয়। এই সময়েই যখন দেশের নানা প্রান্তে বিচ্ছিন্ন ভাবে কৃষক অসন্তোষ চলছে , কৃষক আন্দোলন চলছে তখন রাজ্যে কৃষকদের সাথে সংযোগ স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর রাজ্য সফর। আর এই একই কায়েদায় গেরুয়া শিবির কে বেগ দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য সরকার এখন আগামী লোকসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য করে কৃষকদের সুনজরে থাকার জন্যে আরও অধিক সংখ্যক চাষিকে ধানের বর্ধিত দাম পাইয়ে দিতে তৎপর হয়ে উঠেছে। জানা যাচ্ছে আগামী খরিফ মরশুম থেকে ধানের বর্ধিত মূল্য কার্যকর হবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত সংগ্রহমূল্য ঘোষণা করার একদিন পরেই খাদ্য দপ্তর আগামী খরিফ মরশুমে ধান কেনা নিয়ে জরুরি বৈঠক করে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরও বেশি সংখ্যক কৃষকের থেকে ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে যাতে কোনো সমস্যা না দেখা দেয় সেইজন্যে রাজ্য সরকার চুড়ান্ত তৎপরতা দেখাচ্ছেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এই প্রসঙ্গে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলিষ্ঠ কণ্ঠে দাবি করলেন, সরকারের কাছে বেশি দামে ধান বিক্রি করে রাজ্যের চাষিরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকবেন, তাঁরা এ ব্যাপারে একদমই নিশ্চিত। ফলে ফসলের দাম বৃদ্ধির জন্যে কোনো বাড়তি সুবিধা গেরুয়া শিবির অন্তত পাবেনা। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের নিজস্ব খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের জন্য‌ এখন অতিরিক্ত ধান কিনতে হয় রাজ্যকে। রাজ্য‌ খাদ্য দপ্তর সহ কয়েকটি সরকারি সংস্থা চাষিদের কাছ থেকে ন্যূনতম সংগ্রহ মূল্যে (এমএসপি) ধান ক্রয় করে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, এমএসপি ঘোষণা করার থেকেও এটি কার্যকর করা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গতঃ এখন বছরে প্রায় ১৭ লক্ষ কৃষক সরকারের কাছে ধান বিক্রি করেন। অনুমান করা হচ্ছে প্রতি কুইন্টালের দাম দু’শো টাকা বৃদ্ধির জন্যে এই কৃষকদের সংখ্যা ও বৃদ্ধি পেয়ে ২৫ লক্ষ লক্ষে পৌঁছে যাবে। গত সপ্তাহে এই সব বিষয়ে বিশদে আলোচনার জন্যে খাদ্য ভবনে এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। খাদ্যমন্ত্রী ছাড়াও এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকেরা সহ মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার, সমবায় দপ্তরের সচিব এম ভি রাও প্রমুখ ব্যক্তি বর্গ। উল্লেখ্য চলতি মরশুমে সাড়ে তিনশোর কিছু বেশি সরকারি স্থায়ী ক্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আগামী নভেম্বর থেকে নতুন খরিফ মরশুমে ১২০০-র বেশি ক্রয় কেন্দ্র খোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। এখন যে ক্রয় কেন্দ্র আছে, সেটি ভেঙে আরও দু’টি করে নতুন ক্রয় কেন্দ্র ওই এলাকায় খোলা হবে। রবিবারও ধান কেনার কাজ চলবে। একসঙ্গে বেশি চাষি এলে ভিড়ের চাপে যাতে সমস্যা না হয়, তার জন্য প্রয়োজনে তাঁদের ‘ডিউ স্লিপ’ দেওয়া হবে। কোনও চাষিকে ধান নিয়ে এসে তা যাতে ফেরত নিয়ে চলে যেতে না হয়, তার জন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!