এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মমতা ফেডারেল ফ্রন্টের অন্যতম বড় শরিক এবার গেরুয়া শিবিরের পথে

মমতা ফেডারেল ফ্রন্টের অন্যতম বড় শরিক এবার গেরুয়া শিবিরের পথে

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দ্বিচারিতা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে কেন্দ্রীয় রাজনীতির দরবারে। একসময় তাকেই দেখা গেছিলো বিজেপি বিরোধী জোটগুলোতে প্রতিনিধিত্ব করতে। বিজেপি হটাতে বেশ কিছু শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। আর এখন তাঁর গলায় বাজছে অন্য সুর। এদিন বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তিনি একরকম হুমকি দিয়েই বললেন যে দিল্লিকে যদি কেন্দ্রীয় সরকার সম্পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা না দেন তাহলে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে আপ দের তরফের একটাও ভোট বিজেপির জন্যে হবে না। এমনকি দিল্লির নাগরিকের ‘বিজেপি দিল্লি ছাড়ো’ এই শ্লোগানও শোনা যাবে গোটা রাজধানী জুড়ে। আর যদি তাঁদের দাবী মানা হয় তবে বিজেপির হয়ে লোকসভা নির্বাচনের জন্য প্রচারে তাঁরা নামবেন। জানা যাচ্ছে দিল্লিকে পৃথক রাজ্য করার দাবীতে আগামী ১৭ জুন থেকে ২৪ জুন অব্দি আপ নেতা বিধায়ক ও সমর্থকরা দিল্লির ৩০০ টি জায়গায় বিক্ষোভে সামিল হবেন প্রাথমিকভাবে। আর তাতে কাজ না হলে ইন্দিরা গান্ধী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে জড়ো হবেন তাঁরা ১ জুলাই।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এই বৃহত্তর বিক্ষোভ কর্মসূচির পরিকল্পনার জেরে কেন্দ্রীয় রাজনীতির অন্দরে বেশ চাপানউতোর পরিস্থিতি চলছে। কেজরিওয়ালের দ্বিমুখী আচরণে পদ্মশিবিরে দুশ্চিন্তার পারদ উর্দ্ধমুখী হচ্ছে ক্রমশ। এদিন কেজরিওয়াল আপের দলীয় কর্মীদের নিজের বাসভবনে ডেকে পরামর্শ দিলেন ‘এল-জি দিল্লি ছাড়ো’ প্রচার করতে। অর্থাৎ পরাধীন ভারতবর্ষে মহাত্মা গান্ধি যেভাবে ব্রিটিশ বড়লাটদের ( এল-জি বা লেফটন্যান্ট জেনারেল) দেশ ছাড়তে বলেছিলেন সেভাবেই বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে হটে যাওয়ার কথা বললেন তিনি। কারণ লেফটন্যান্ট জেনেরালরা যেভাবে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করছিলো সেরকম সমস্যাময় পরিস্থিতি তৈরির নজির গড়ছে বর্তমান বিজেপি সরকারও। আপের সুপ্রিমোর এই বিজেপিবিরোধী কর্মসূচি কতটা ফলপ্রসূ হবে বা তাঁদের দাবী আদেও মানা হবে কিনা তা জানতে মুখিয়ে আছেন দিল্লিবাসীও।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!