এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > মমতার নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে বিজেপিতে যোগ তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের

মমতার নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে বিজেপিতে যোগ তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের

লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির প্রবল উত্থানের পর থেকেই শাসক দলের একাধিক জনপ্রতিনিধিরা গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে শুরু করেন। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় রাজ্য রাজনীতিতে। এমনকি একের পর এক দলীয় জনপ্রতিনিধিরা বিরোধী শিবিরে নাম লেখানোয় তীব্র অস্বস্তিতে পড়েন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

আর এই পরিস্থিতিতে দলের ভাঙ্গন কি করে রোধ করা যায়, তা নিয়ে যখন প্রবল চিন্তায় ঘাসফুল শিবির, ঠিক তখনই সম্প্রতি কাঁচরাপাড়ার সভা থেকে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সাত দিন সময় দিলাম, যারা দল থেকে চলে যেতে চান তারা চলে যান। আমি শুদ্ধিকরণ করে নেব।” আর দলীয় নেত্রীর এই বার্তা পাওয়ার সাথে সাথেই এবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার হিড়িক পড়ে গেল।

সূত্রের খবর, এদিন ব্যারাকপুর 1 নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত পানপুর কেউটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের 12 জন পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এদিন এই প্রসঙ্গে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ বলেন, “কেউটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের 12 সদস্যই বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এর ফলে পুরো গ্রাম পঞ্চায়েতে আমাদের দখলে চলে এসেছে।” অন্যদিকে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যে অচলাবস্থা চলছে, তা নিয়েও এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন ব্যারাকপুরের এই বিজেপি সাংসদ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশমন্ত্রী, প্রশাসন ফেল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ফেল। এখন শুধু উনি পদত্যাগ করলেই রাজ্যটা বেচে যাবে।” তবে রাজনীতিতে এই রাজনৈতিক তরজার মাঝেও এখন একটাই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে, তাহলে স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী দলের গদ্দারদের দল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়ার সাথে সাথেই যেভাবে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে গেছে, তাতে কি তৃণমূলের এই ভাঙ্গন আর আটকানো সম্ভব!

বিজেপির দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় তৃণমূলের সর্বাধিনায়কা থাকলেও এখন তাকে আর কেউ নেত্রী হিসেবে মানতে নারাজ। কারণ যে স্বৈরাতান্ত্রিক কায়দায় তিনি গোটা রাজ্য পরিচালনা করছেন, তাতে তার ওপর আস্থা হারিয়েছেন সকলে। আর তাই তো সবাই বিজেপিতে যোগদান করছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু দলের যে সমস্ত গদ্দাররা দলটাকে নষ্ট করেছে, তারা এখন ক্ষমতার লোভে বিজেপিতে যাওয়া শুরু করেছে। তাতে আমাদের দলটা অনেকটাই শুদ্ধ এবং পবিত্র হবে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!