এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মমতার ব্রিগেড ভরাবে এবার প্রবাসী বাঙালিরাও, দাবি তৃণমূলের

মমতার ব্রিগেড ভরাবে এবার প্রবাসী বাঙালিরাও, দাবি তৃণমূলের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রস্তাবিত ১৯’এর ব্রিগেড সমাবেশে সফল করার দায়িত্ব এবার কাঁধে তুলে নিলেন প্রবাসী বাঙালিরাও। দিল্লির করোলবাগের জনসভার মঞ্চ থেকে রাজধানীর বাঙালিরা শ্লোগান তুললেন এদিন-‘ডাক দিয়েছেন মমতা,ব্রিগেড ভরাবে জনতা।’ চলতি মাসেরই ১৯ তারিখ বহু প্রতীক্ষিত সর্ব ভারতীয় ব্রিগেড সমাবেশ।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অবিজেপি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা হাজির হবেন এই সমাবেশে। রাজ্যের জেলা এবং ব্লকস্তর থেকে রেকর্ড পরিমান লোক জমায়েত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জেলা তৃণমূলের হেভিওয়েটরা। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এবার প্রবাসী বাঙালিদেরও ব্রিগেডে হাজির করিয়ে বিজেপি বিরোধী সমাবেশকে জাতীয় স্তরে আরো সফল করার পরিকল্পনা তৃণমূলের।

বছর শুরুর মরশুমে করোলবাগের জনসভায় প্রবাসী বাঙালিদের জমায়েতে এদিন উপচে পড়ছিল ভীড়। সভায় হাজির ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়,সাংসদ ইদ্রিশ আলি ও আপ সাংসদ ভগবান্ত সিং মান। বাঙালি অধ্যুষিত করোলবাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী এবং শিল্পীরা যোগ দেন সভায়। সভা থেকেই বিজেপি বিরোধী হেভিওয়েটরা ডাক দেন ১৯-এর ব্রিগেড সফল করার।মোদী সরকার বিরোধী শ্লোগানে এদিন মুখরিত হয়ে ওঠে করোলবাগ।

দিল্লি স্বর্ণকার সঙ্ঘ এবং অল ইন্ডিয়া মাইনরিটি ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ ইদ্রিশ আলি ১৯’এর ব্রিগেড সমাবেশে প্রবাসী বাঙালিদের যোগ দেওয়ার জন্যে আহ্বান জানান। দিল্লির বাঙালি স্বর্ণব্যবসায়ীদের বিজেপি সরকার কীভাবে ক্ষতি করেছে সে খতিয়ান তুলে ধরেন এদিন। বলেন,’করোলবাগে বাঙালি স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে দোকান সিল করা হয়েছে। দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অনেকেই অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন।’‌

এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে সাংসদ শতাব্দী রায় একইভাবে তুলোধনা করেন কেন্দ্র সরকারকে। ১৯’এর ঐতিহাসিক সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের জমায়েতের আহ্বান জানিয়ে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলেন। বলেন,দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করেছে বিজেপি। এই মোদী জামানায় সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কৃষক এবং সাধারণ মানুষ।

তাই ১৯’এর লোকসভা নির্বাচনেই বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করার ডাক দিলেন তিনি। প্রসঙ্গত,এদিন জনসভার ফাঁকেই তৃণমূল সাংসদদের কাছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা অভিযোগে জানান,বেআইনিভাবে তাঁদের দোকানগুলো সিল করে দিয়েছে দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। এর জেরে চরম সমস্যায় পড়েছে স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা। এঁদের সমস্যা সমাধানে তৃণমূল সাংসদরা পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

উল্লেখ্য,গতবছর দূষণ ছড়ানোর অভিযোগ দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। এর জেরে মে মাসে মোট ৮৫ টি দোকন বন্ধ হয়ে যায়। পরে আরো হাজার খানেক দোকান বন্ধ হওয়ায় বেজায় চটে যান স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মানুষেরা চোখে সরষে ফুল দেখেন। কাজে হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয় শিল্পীদের।

সম্প্রতি উক্ত সমস্যাটির কথাই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে এনেছেন দিল্লির বাঙালি ব্যবসায়ীরা। এই সমস্যার কথা শুনতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তৃণমূল নেত্রী৷ এক মুহূর্তও বিলম্ব না করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে চিঠি দিয়ে উক্ত সমস্যার প্রেক্ষিতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

লোকসভা ভোটকে নিশানা করেই প্রবাসী বাঙালি ব্যবসায়ীদের সমর্থন পেতে এটাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Top
error: Content is protected !!