এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > 3-0 তেই থেমে থাকতে চান না! এখন থেকেই একুশের ঘুঁটি সাজানো শুরু তৃণমূল নেত্রীর

3-0 তেই থেমে থাকতে চান না! এখন থেকেই একুশের ঘুঁটি সাজানো শুরু তৃণমূল নেত্রীর

2011 সালের আগে বিরোধী নেত্রী হিসেবে সারা রাজ্যজুড়ে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৎকালীন বাম সরকারের বিরুদ্ধে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জনদরদী নেত্রীর বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। অবশেষে 34 বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে বিদায় জানিয়ে সাধারণ মানুষ ভরসা রেখেছিল সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। 2011 সালে বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে রাজ্যের শাসক দলের পদে বসা তৃণমূল কংগ্রেসকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। পঞ্চায়েত থেকে পৌরসভা, বিধানসভা প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে লাগাতার ক্ষমতায় থাকার ফলে তৃণমূলের অনেক নেতার মধ্যেই দুর্নীতি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগের অভাব দেখা দিয়েছিল। জন্ম নিয়েছিল অহংকার। আর তার ফলে 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে উত্থান ঘটেছে ভারতীয় জনতা পার্টির।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 42 এ 42 টি আসন পাওয়ার কথা জানালেও মোটে 22 টি আসন পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে রাজ্যের শাসক দলকে। অন্যদিকে দুটি আসন পাওয়া বিজেপি তাদের আসন সংখ্যা 18 করে নিয়েছে। আর এরপরেই দলে অনেক ভুল রয়েছে, তা পর্যালোচনা করে নানারকম জনসংযোগ মূলক কর্মসূচি নিতে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রননীতিকার করা হয় ভোটগুরু বলে পরিচিত প্রশান্ত কিশোরকে। যার সাফল্য হাতে নাতে পায় তৃণমূল কংগ্রেস।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

লোকসভায় বিজেপি সাফল্য পেলেও 6 মাস পেরোতে না পেরোতেই রাজ্যের তিনটি বিধানসভা উপনির্বাচনে ফুটে যায় ঘাসফুল। আর তৃণমূলের এই কৃতিত্বের পেছনে প্রশান্ত কিশোরের অবদান এবং লোকসভার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল দলের শুদ্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাকেই সামনে আনে বিশেষজ্ঞরা। তবে সাময়িক সাফল্য পেলেও যেন দলের নেতাকর্মীরা আত্মপ্রত্যয়ী না হয়ে যান এবং তার ফলে যে ভবিষ্যতে দলের ফল খারাপ হতে পারে, তা ভালই উপলব্ধি করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর তাইতো ফলাফল প্রকাশের পরে সকলকে বিনয়ী থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বিজয় মিছিল না করে এলাকা শান্ত রাখার নির্দেশ জারি করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভালই জানেন, 2021 এ তার দলের সাথে মূল লড়াইটা হবে ভারতীয় জনতা পার্টির। উপনির্বাচনের পরিবেশ, পরিপ্রেক্ষিত আলাদা হলেও বিধানসভা নির্বাচন সম্পূর্ণই আলাদা। সেদিক থেকে লোকসভা নির্বাচনে সাফল্য পাওয়া বিজেপি বিধানসভা নির্বাচনে অনেকটাই ভালো ফল করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে একাংশের।

তাই বিধানসভা উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস তিনে তিন পেলেও বিধানসভায় যে তাদের কাছে লড়াই অতটা সহজ হবে না, তা ভালই বুঝতে পেরেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অনেকে বলছেন, বিধানসভায় সাফল্য পেলেও দিদিকে বলো, এনআরসি বিরোধী প্রচারের মত ইস্যুকে বিজেপির বিরুদ্ধে কাজে লাগিয়ে মাঠে নামতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তাই চুপচাপ এখন থেকে কাজের কাজটাই করতে চাইছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

এতদিন ভোটে জেতার পর তৃণমূল নেতারা আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে গেলেও এবার এই সমস্ত ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসে না থেকে ময়দানে নেমে পৌরসভা নির্বাচন এবং বিধানসভায় সাফল্য পেতে চাইছে তারা। এদিন এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মানুষের কাছে যেতে হবে। সমস্যা বুঝতে হবে। কোথাও বিরোধীদের আক্রমণ করা হবে না। শুধু মানুষের কাছে যাওয়ার মন্ত্র নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।” তবে এখন তৃণমূল নেতারা কাজের কাজটা কতটা করে, তা আগামী নির্বাচনে ভোটবাক্স খোলার পরেই প্রমাণ হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!