এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপি বিরোধী মহাজোটের মুখ মমতা ব্যানার্জিই? জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন এই সর্বভারতীয় হেভিওয়েট নেতা

বিজেপি বিরোধী মহাজোটের মুখ মমতা ব্যানার্জিই? জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন এই সর্বভারতীয় হেভিওয়েট নেতা

লোকসভা ভোটের মুখে দাঁড়িয়ে ফের ফেডারেল ফ্রন্টের জল্পনা উস্কে দিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা কট্টর বিজেপি বিরোধী নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু। কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে সিবিআইয়ের তলব করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নায় বসার পরের দিনই নেত্রীকে ফোন করে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু। তাঁর সমর্থন যে কতোটা খাঁটি, সেটার প্রমাণ দিতেই কথা দেওয়ার দু’দিন পরেই কলকাতায় উড়ে এলেন তিনি। নেত্রীর সত্যাগ্রহের মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনকে ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা করলেন নাইডু।

পাশাপাশি এটাও জানালেন, এই আন্দোলনই বলে দিচ্ছে আগামী লোকসভা ভোটের সরকার গঠনের নির্নায়ক শক্তি হতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। অবিজেপি রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে একত্রিত করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগ দেখেই ভয় পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। আর সে কারণেই চিটফান্ড কান্ডে তৃণমূল কংগ্রেসকে অভিযুক্ত প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছে সিবিআই। এরপর ১৯ জানুয়ারির ব্রিগেড সমাবেশের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি তুলে ধরলেন মোদীর বক্তব্য। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ওই ব্রিগেডের মঞ্চই বলে দিয়েছিল দেশের গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে মোদী বিরোধী শক্তি ক্রমেই মজবুত হচ্ছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

বিজেপি বিরোধী মহাজোটের সব দলগুলোই মোটামুটি রাজীব কুমার কাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন জানিয়েছে। চন্দ্রবাবু নাইডু আরো জানালেন, এই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ই প্রমাণ করে দিল বিজেপির ব্যর্থতা। মোদীর শাসনকালে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো বিপন্ন হতে বসেছে। আর সেজন্যে কেন্দ্রের ক্ষমতা দখলে রাখতে সিবিআই, ইডি দিয়ে বিরোধীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। দেশের গণতন্ত্র, সংবিধান সবই সংকটাপন্ন অবস্থা মোদীর শাসনে। আর তাই এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর একান্ত প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। আর এর জন্যে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম। সে সংগ্রামের সূত্রপাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করে দিয়েছেন। এখন শুধু দরকার নেত্রীর পাশে থেকে মোদী বিরোধী আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

চন্দ্রবাবুর মতোই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সত্যাগ্রহ মঞ্চ থেকে মোদীর স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব হলেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবও। পশ্চিমবঙ্গের মতো বিহারেও সিবিআই এবং ইডি পাঠিয়ে তাঁদের হেনস্তা করেছেন মোদী – এমনটাই অভিযোগ তোলেন লালুপ্রসাদ যাদবের ছেলে। তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের বিরোধী আচরণ করলই তাঁদের সিবিআই-ইডি দিয়ে ভয় দেখানে হচ্ছে। পাল্টা অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, সিবিআই নিরপেক্ষ সংস্থা হয়ে থাকলে অমিত শাহের ছেলের বিরুদ্ধে তদন্ত করে দেখাক। কিন্তু সেটা করতে কেন্দ্রের তদন্তকারী সংস্থাকে কখনোই দেখা যায় না। শুধু বিরোধী নেতা-মন্ত্রীদের জেলে পাঠানোর চক্রান্ত মোদীর। এর পাশাপাশি অভিযোগের সুর চড়া করে তিনি আরো বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে দেশবাসীর সঙ্গে প্রতারণা করে এসেছেন মোদী। আর এই ঠকবাজ সরকারকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করতে জোটবদ্ধ আক্রমণের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!