এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > করোনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের! চরছে পারদ

করোনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের! চরছে পারদ


করোনা ভাইরাস যাতে বেশি মাত্রায় ছড়িয়ে না পড়ে, তাঁর জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য এবং দেশ লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। আর এই লকডাউন করার প্রধান উদ্দেশ্য হল, যাতে সাধারণ মানুষ বাড়ির বাইরে না বেরোন এবং তার ফলে যাতে ভাইরাস না ছড়ায়। কিন্তু করোনা ভাইরাসকে আটকানোর জন্য ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করছেন।

হাসপাতাল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের বাজার করতে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আচরণ নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যেখানে লকডাউন চলা সত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনো নিয়ম মানছে না বলে সরব হলেন তিনি। আর তৃণমূল নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দিলীপ ঘোষের করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মাঝেই এভাবে সরব হওয়ার ঘটনায় এখন রীতিমত তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিন এক ভিডিও বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে বিশ্বের উন্নত দেশ শ্মশানে পরিণত হয়েছে। সেকথা জেনেও মুখ্যমন্ত্রী রাস্তায় বের হচ্ছেন। সঙ্গে লোক নিয়ে ঘুরছেন। মুখ্যমন্ত্রীর রাস্তায় বেরিয়ে খাবার বিতরণ করার দরকার নেই। লোককে বোঝানোর দরকার নেই। সেজন্য সরকারি কর্মচারীরা রয়েছেন, ক্লাব রয়েছে, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে আইন ভাঙলে সাধারন মানুষ কেন আইন মানবে!” আর দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্য নিয়ে এখন পক্ষে এবং বিপক্ষে মত আসতে শুরু করেছে।

অনেকে বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। সেদিক থেকে রাজ্যকে ভালো রাখা তার কর্তব্য। তাই তিনি নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে সর্বত্র সাধারণ মানুষের খোঁজ খবরের জন্য ময়দানে নামছেন। আসলে এই দীলিপবাবুরাই যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সময় ময়দানে না নামতেন, তাহলে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলত। আর এখন জননেত্রী হিসেবে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাজ করছেন, তখন তাকে আইন ভাঙার জন্য দায়ী করছেন। যা সত্যিই হাস্যকর। আসলে আসলে দিলীপ ঘোষ রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন।

অন্যদিকে আরেক শ্রেণীর মানুষেরা বলছেন, দীলিপবাবু কিছুটা হলেও সঠিক কথা বলেছেন। একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এইভাবে আইন ভাঙবেন! যেখানে সকলকে লকডাউন মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একেবারে সপার্ষদ যেভাবে সাধারণ মানুষের কাছে চলে যাচ্ছেন, তাতে শরীরের সংস্পর্শে এই ভাইরাস যে সৃষ্টি হবে না তার গ্যারান্টি দেবে কে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাংশ।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!