এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > এবার পুজোয় বিশেষ আকর্ষণ ছিল “কাউন্সিলর” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো – জানুন বিস্তারিত

এবার পুজোয় বিশেষ আকর্ষণ ছিল “কাউন্সিলর” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো – জানুন বিস্তারিত

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নামেই নাম তার। রায়গঞ্জের রবীন্দ্রপল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবছর তার এই পুজো মহাসমারোহে পালিত হয়। কিন্তু রাজ্য সরকার পুজো উদ্যোক্তাদের এতদিন 10 হাজার টাকা করে দিলেও রায়গঞ্জের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ক্লাব সেই অনুদান পায়নি। যেখানে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল, তাহলে কি প্রশাসনিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মমতা থেকে বঞ্চিত রায়গঞ্জের রবীন্দ্রপল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়!

তবে না, সূত্রের খবর, এবার অনুদান প্রাপকদের তালিকায় এই কমিটির নাম ছিল । জানা গেছে, এবার এই পুজো 73 তম বছর পূর্ণ করলো। মেদিনীপুরের শিল্পীদের শিল্পকর্মে কাল্পনিক মন্দিরের আদলে মণ্ডপ নির্মাণ করা হয়েছে । আলোকসজ্জায় থেকেছেন কালিয়াগঞ্জের শিল্পীরা। যেখানে চন্দননগরের আলোকসজ্জার আদলে আলোর খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

অন্যদিকে মৃৎশিল্পী নান্টু পালের প্রতিমা দর্শনার্থীদের নজর অনেকটাই কেড়েছে বলে দাবি ক্লাব উদ্যোক্তাদের । বস্তুত, বিগত বাম সরকারের আমলে মূলত স্থানীয় সিপিএমের প্রভাবশালী নেতারাই এই ক্লাবের মূল উদ্যোক্তার ভূমিকা পালন করছিলেন। কিন্তু তৃণমূল সরকার আসার পর গত 2017 সালে 9 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তখন থেকেই ধীরে ধীরে এই ক্লাবের দায়িত্ব নিতে শুরু করেন তিনি। আর তারপরই এই রবীন্দ্রপল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি হন তৃণমূলের কাউন্সিলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

কিন্তু শাসকদলের কাউন্সিলর হলেও এতদিন নিজের ক্লাবের জন্য অনুদান পাননি তিনি। তবে এবার অনুদান প্রাপকদের তালিকায় তার ক্লাবের নাম থাকায় রীতিমতো খুশি সেই মমতাদেবী। এদিন এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পুজোর জন্য সরকারি অনুদান পেলে তো ভালোই হয় । না পেলেও পুজোর আয়োজনে কোনো খামতি থাকতো না।” কিন্তু প্রচুর পুজো কমিটিগুলোকে রাজ্য সরকার অনুদান দিলেও কেন এতদিন তা থেকে বঞ্চিত ছিল কাউন্সিলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ক্লাব!

এদিন এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গত বছর তখনও ক্লাবের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকায় আমরা সরকারি অনুদান পাইনি। এবার অ্যাকাউন্ট হয়েছে। সব নথি সহ আমরা অনুদানের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জমা করেছিলাম। অনুদান হলে ভাল লাগবে। এবারের প্রতিমা, আলোকসজ্জা এবং মন্ডপশজ্জায় আমাদের প্রতি সকলেই আকর্ষিত হবেন। পূজোয় আমাদের মন্ডপে দর্শনার্থীদের ঢল নামবে।”

সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা ক্লাবগুলোকে টাকা দেওয়ার অঙ্গ হিসেবে আর্থিক অনুদান পেল কাউন্সিলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাব।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!