এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ধর্মসঙ্কটে মুখ্যমন্ত্রী – শহীদ দিবস নাকি গণতন্ত্র রক্ষা? কোন পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

ধর্মসঙ্কটে মুখ্যমন্ত্রী – শহীদ দিবস নাকি গণতন্ত্র রক্ষা? কোন পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

ধর্মসঙ্কটে মুখ্যমন্ত্রী – শহীদ দিবস নাকি গণতন্ত্র রক্ষা? কোন পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়েই ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে বিস্তর আলাপ-আলোচনা। কেননা এবারে শহীদ দিবসের ২৫ বছর পূর্তি তাই মহা ধুমধাম করে পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল দলের তরফ থেকে। আর সেই মত সমস্ত প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে। নেতা নেত্রীরা ছুটে বেড়াচ্ছেন রাজ্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। কর্মী-সমর্থকরাও লেগে পড়েছে এর সমস্ত রকমের প্রস্তুতিতে। কিন্তু এদিকে আজ লোকসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছে টিডিপি এবং স্পিকার সেই অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহন করার পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে আলোচনার দিন ধার্য করেছেন ২০ জুলাই শুক্রবার।আর তার একদিন পরেই একুশে জুলাই।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

ফলে ২০ জুলাই যদি গণতন্ত্র রক্ষার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি রওনা দেন তবে একুশে জুলাই ফিরে এসে শহীদ দিবসের যোগ দেওয়া তাঁর পক্ষে কতটা সম্ভব হবে সেখানে কিন্তু প্রশ্ন চিহ্ন রয়ে গেল। তাই প্রশ্ন উঠেছিল কাকে বাছবেন মুখ্যমন্ত্রী শহীদ দিবস নাকি গণতন্ত্র রক্ষা? কিন্তু সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে  বিজেপি সরকারকে ফেলে দেওয়ার লক্ষ্যে তৃণমূল সরকার কোনোভাবেই যে পিছুপা হবে না তা আজ আরও একবার প্রমান হয়ে গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে। তিনি কড়া নির্দেশ দিয়েছেন যে তৃণমূলের প্রতিটি সাংসদকে বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতেই হবে ২০শে জুলাই লোকসভায়। কারণ ওইদিন বিরোধী দলের ডাকা এবং একইসাথে দীর্ঘ ১৫ বছর বাদে গৃহীত হওয়া অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে বিপক্ষে চলবে ভোটাভুটি। যা কিনা অনেকাংশেই নির্ধারণ করে দেবে আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতি।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্পিকারের তরফে অনাস্থা নিয়ে আলোচনার জন্য ২০ জুলাই দিন ধার্য করার পরেই তৃণমূলের তরফে দিন বদলের জন্য আবেদন করা হয়। স্পিকার সঙ্গে সঙ্গে সেই আবেদন খারিজ করে দেন। তাতে সাময়িক ভাবে ২১ শে জুলাই পালনে সমস্যা তৈরি হলেও লোকসভার আলোচনাকেই প্রাধান্য দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তুমুল হই হট্টগোলের মধ্যেই স্পিকার অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণ করার কথা জানিয়ে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনার দিন ধার্য করেন ২০ জুলাই শুক্রবার। তবে অনাস্থা প্রস্তাবই হোক বা কংগ্রেস সুপ্রিমো সোনিয়া গান্ধীর সরকার পতনের হুঁশিয়ারিই হোক – কোন কিছু নিয়েই আদৌ চিন্তিত নয় বর্তমান বিজেপি সরকার। সংসদীয় মন্ত্রী অনন্ত কুমার প্রমুখ নেতাদের কথা হল দেশের জনগণের তাঁদের ওপর পূর্ন আস্থা আছে। তাঁর কথার পিছনে সহজ যুক্তি পাওয়া যায় পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অনাস্থা প্রস্তাব বিজেপি সরকারের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। কেননা লোকসভায় বিজেপির একারই সদস্য সংখ্যা ২৭৩ জন। যা লোকসভার সদস্য সংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি। সঙ্গে রয়েছে সহযোগীদের সমর্থন। তবে এই অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে বিরোধীরা দেশের সাধারণ নির্বাচনের আগে তাদের দিক নির্দেশ করতে পারবে বলে অনুমান।

Top
error: Content is protected !!