এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মুখ্যমন্ত্রীকে আটকানোর অভিযোগে দড়ি দিয়ে বেঁধে ঘোরানো হলো মোদী- শাহকে

মুখ্যমন্ত্রীকে আটকানোর অভিযোগে দড়ি দিয়ে বেঁধে ঘোরানো হলো মোদী- শাহকে

বিজেপি সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং জাতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে দড়ি বেঁধে ঘোরালো রাজ্যের শাসকদল। কথা দিয়েও কথা রাখেননি। জনসভায় মানুষের মন কাড়তে একরকম প্রতিশ্রুতি দেন মোদি। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে করেন ঠিক উল্টোটা। তার ফলে রীতিমতো ক্ষুব্ধ জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন।

রাজ্যসরকার সব পরিকাঠামো করে দেওয়ার পরও জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চ চালু করা নিয়ে গড়িমসি করছে বিজেপি সরকার। এই অভিযোগকে সামনে রেখেই এদিন প্রতীকী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহকে বেঁধে গোটা শহর ঘোরালো যুব তৃণমূল কংগ্রেস। জলপাইগুড়ির তৃণমূল যুব সভাপতি সৈকত চ্যাটার্জির নেতৃত্বে এদিন পোষ্ট অফিস মোড় থেকে ধিক্কার মিছিল করে তাঁরা। গোটা ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

এ প্রসঙ্গে সৈকত চ্যাটার্জি জানান,বিগত চার দশক ধরে উত্তরবঙ্গে সার্কিট বেঞ্চ তৈরির দাবীতে আন্দোলন চলছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিশ্রুতি পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী তড়িঘড়ি করে সব ব্যবস্থা করে দিলেন। জমি থেকে আরম্ভ করে ফুল বেঞ্চেও সীলমোহর দেওয়া হয়ে গিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্র টালবাহানা করেই যাচ্ছে। তাই এদিন জেলায় সার্কিট বেঞ্চ চালুর দাবীতে আন্দোলনে পথে নেমেছে শাসকদল।

আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের সামনেই প্রতীকী অমিত শাহ এবং মোদিকে গ্রেফতার করে তুলে দিয়ে প্রতিবাদ জানানো হল। সৈকত বাবুর দাবী, এই সার্কিট হাউস তৈরির কৃতিত্বের জন্যে লোকসভা ভোটের আগে যাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোেপাধ্যায়ের মুকুটে যাতে নতুন সম্মানের পালক না লাগে তার জন্যে ইচ্ছে করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক এই কাজটি নিয়ে নিষ্ক্রিয়তা দেখাচ্ছে।

প্রসঙ্গত,চলতি মাসেই জলপাইগুড়িতে একটা সভা করতে এসে বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেছিলেন,৭-১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে মোদি এবং অমিত শাহ উত্তরবঙ্গে আসবেন। সার্কিট বেঞ্চ নিয়ে বেশ কিছু ভালো খবর অপেক্ষা করছে উত্তরবঙ্গবাসীদের জন্যে। কিন্তু এরপর রথযাত্রা বাতিল হওয়ার কারণে বঙ্গসফর বাতিল করে দেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা। তারপর থেকেই রথযাত্রা কর্মসূচির নিশ্চয়তা নিয়ে চূড়ান্ত ব্যবস্থায় রয়েছে বিজেপি শিবির। এর মধ্যে অবহেলিত হল সার্কিট বেঞ্চ তৈরির প্রসঙ্গ।

তাই এদিন সার্কিট বেঞ্চ চালুর দাবীতে তৃণমূলের সার্কিট বেঞ্চের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে শাসকদল। এবং বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি হিসাবে মোদি-শাহকে অপদস্থ করা হয়। এবং আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে যদি সার্কিট বেঞ্চ চালু না হয় তাহলে বিজেপি নেতারা জলপাইগুড়িতে বের হতে পারবেন না। বাংলায় বিজেপির প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হবে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

কার্যত বৃদ্ধাশ্রমে পরিনত করে দেওয়া হবে বিজেপির কার্যালয়গুলো,এমনটাই এদিন হুঁশিয়ারী দিলেন তৃণমূল যুব সভাপতি সৈকত চ্যাটার্জি। আসলে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটে খারাপ পারফরমেন্সের কারণে এমনিতেই কোনঠাসা অবস্থা বিজেপির। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি সরকার বিরোধী কার্যকলাপকে আরো ইন্ধন জোগাতে বেশি করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে রাজ্যসরকার। এদিনের বিক্ষোভ মিছিল সেটারই নামান্তর,এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!